অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শাবনূর, কী করছেন অভিনেত্রী

অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শাবনূর, কী করছেন অভিনেত্রী
বিনোদন ডেস্ক

ঢাকায় সিনেমার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। গত বছরের এপ্রিলে হুট করেই সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন শাবনূর জানান, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
শেষ পর্যন্ত ছেলে আইজান নেহালের ইচ্ছাতে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান অভিনেত্রী।
শাবনূরের দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্রসঙ্গীদের অনেকেই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে আমেরিকায় বেড়াতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছিলেন নব্বই দশকের সহকর্মীদের কয়েকজন। ছেলের আগ্রহ এবং সহকর্মীদের টান—এই দুই মিলিয়েই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে না এসে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
শাবনূর প্রায় এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরও কয়েক দিন সেখানে থাকার কথা জানিয়েছেন। এর আগে প্রায় এক দশক আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। শাবনূর জানান, ‘এবারে আনন্দটা অনেক বেশি, অনুভূতিগুলোও বেশ গভীর।’

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান ও কাজী মারুফের সঙ্গে তিনি আড্ডা দিয়েছেন। এছাড়া শাহনূর, মামুন ইমন, রেসিসহ আরও কয়েকজন শিল্পীর সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ হয়েছে। সবাই মিলে একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, পুরোনো দিনের গল্পে ফিরছেন এবং স্মৃতিচারণায় মেতে উঠছেন।
শাবনূর বলেন, ‘আমরা এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলেও সমমনা কয়েকজনের ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ রয়েছে। সেখানে আমরা নিয়মিত গল্প করি, আড্ডা দিই এবং নানা ইন্টারেস্টিং বিষয় শেয়ার করি। আমেরিকায় থাকা সহকর্মীরা অনেক দিন ধরেই আমাকে সেখানে ঘুরে আসার কথা বলছিলেন। আমারও মনে হলো, যাই, একবার ঘুরে আসি। এখানে এসে মনে হচ্ছে বিনোদন অঙ্গনের বেশিরভাগ মানুষই আমেরিকায় আছেন। সবাই নিজেদের মতো করে ভালোই আছেন।’
কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তার সঙ্গে দেখা হওয়া প্রসঙ্গে শাবনূর বললেন, ‘অনেক দিন পর মৌসুমী আপুর সঙ্গে দেখা। আপুকে কাছে পেয়ে মনটা ভরে গেছে। কী যে ভালো লেগেছে! কত গল্প যে করেছি। মনে হচ্ছিলো সময়টা খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।’
প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিতনায়িকা ছিলেন শাবনূর। ১৯৯৩ সালে এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন শাবনূর। এর পরের বছর ‘তুমি আমার’ সিনেমায় সালমান শাহ-শাবনূর জুটি দর্শকমহলে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই সাফল্যই শাবনূরকে অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়িকাদের কাতারে পৌঁছে দেয়।

ঢাকায় সিনেমার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। গত বছরের এপ্রিলে হুট করেই সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন শাবনূর জানান, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
শেষ পর্যন্ত ছেলে আইজান নেহালের ইচ্ছাতে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান অভিনেত্রী।
শাবনূরের দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্রসঙ্গীদের অনেকেই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে আমেরিকায় বেড়াতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছিলেন নব্বই দশকের সহকর্মীদের কয়েকজন। ছেলের আগ্রহ এবং সহকর্মীদের টান—এই দুই মিলিয়েই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে না এসে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
শাবনূর প্রায় এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরও কয়েক দিন সেখানে থাকার কথা জানিয়েছেন। এর আগে প্রায় এক দশক আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। শাবনূর জানান, ‘এবারে আনন্দটা অনেক বেশি, অনুভূতিগুলোও বেশ গভীর।’

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান ও কাজী মারুফের সঙ্গে তিনি আড্ডা দিয়েছেন। এছাড়া শাহনূর, মামুন ইমন, রেসিসহ আরও কয়েকজন শিল্পীর সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ হয়েছে। সবাই মিলে একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, পুরোনো দিনের গল্পে ফিরছেন এবং স্মৃতিচারণায় মেতে উঠছেন।
শাবনূর বলেন, ‘আমরা এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলেও সমমনা কয়েকজনের ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ রয়েছে। সেখানে আমরা নিয়মিত গল্প করি, আড্ডা দিই এবং নানা ইন্টারেস্টিং বিষয় শেয়ার করি। আমেরিকায় থাকা সহকর্মীরা অনেক দিন ধরেই আমাকে সেখানে ঘুরে আসার কথা বলছিলেন। আমারও মনে হলো, যাই, একবার ঘুরে আসি। এখানে এসে মনে হচ্ছে বিনোদন অঙ্গনের বেশিরভাগ মানুষই আমেরিকায় আছেন। সবাই নিজেদের মতো করে ভালোই আছেন।’
কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তার সঙ্গে দেখা হওয়া প্রসঙ্গে শাবনূর বললেন, ‘অনেক দিন পর মৌসুমী আপুর সঙ্গে দেখা। আপুকে কাছে পেয়ে মনটা ভরে গেছে। কী যে ভালো লেগেছে! কত গল্প যে করেছি। মনে হচ্ছিলো সময়টা খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।’
প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিতনায়িকা ছিলেন শাবনূর। ১৯৯৩ সালে এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন শাবনূর। এর পরের বছর ‘তুমি আমার’ সিনেমায় সালমান শাহ-শাবনূর জুটি দর্শকমহলে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই সাফল্যই শাবনূরকে অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়িকাদের কাতারে পৌঁছে দেয়।

অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শাবনূর, কী করছেন অভিনেত্রী
বিনোদন ডেস্ক

ঢাকায় সিনেমার একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। গত বছরের এপ্রিলে হুট করেই সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন শাবনূর জানান, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
শেষ পর্যন্ত ছেলে আইজান নেহালের ইচ্ছাতে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান অভিনেত্রী।
শাবনূরের দীর্ঘদিনের চলচ্চিত্রসঙ্গীদের অনেকেই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে আমেরিকায় বেড়াতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছিলেন নব্বই দশকের সহকর্মীদের কয়েকজন। ছেলের আগ্রহ এবং সহকর্মীদের টান—এই দুই মিলিয়েই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে না এসে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
শাবনূর প্রায় এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরও কয়েক দিন সেখানে থাকার কথা জানিয়েছেন। এর আগে প্রায় এক দশক আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। শাবনূর জানান, ‘এবারে আনন্দটা অনেক বেশি, অনুভূতিগুলোও বেশ গভীর।’

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান ও কাজী মারুফের সঙ্গে তিনি আড্ডা দিয়েছেন। এছাড়া শাহনূর, মামুন ইমন, রেসিসহ আরও কয়েকজন শিল্পীর সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ হয়েছে। সবাই মিলে একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, পুরোনো দিনের গল্পে ফিরছেন এবং স্মৃতিচারণায় মেতে উঠছেন।
শাবনূর বলেন, ‘আমরা এখন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলেও সমমনা কয়েকজনের ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ রয়েছে। সেখানে আমরা নিয়মিত গল্প করি, আড্ডা দিই এবং নানা ইন্টারেস্টিং বিষয় শেয়ার করি। আমেরিকায় থাকা সহকর্মীরা অনেক দিন ধরেই আমাকে সেখানে ঘুরে আসার কথা বলছিলেন। আমারও মনে হলো, যাই, একবার ঘুরে আসি। এখানে এসে মনে হচ্ছে বিনোদন অঙ্গনের বেশিরভাগ মানুষই আমেরিকায় আছেন। সবাই নিজেদের মতো করে ভালোই আছেন।’
কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তার সঙ্গে দেখা হওয়া প্রসঙ্গে শাবনূর বললেন, ‘অনেক দিন পর মৌসুমী আপুর সঙ্গে দেখা। আপুকে কাছে পেয়ে মনটা ভরে গেছে। কী যে ভালো লেগেছে! কত গল্প যে করেছি। মনে হচ্ছিলো সময়টা খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।’
প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিতনায়িকা ছিলেন শাবনূর। ১৯৯৩ সালে এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন শাবনূর। এর পরের বছর ‘তুমি আমার’ সিনেমায় সালমান শাহ-শাবনূর জুটি দর্শকমহলে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই সাফল্যই শাবনূরকে অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়িকাদের কাতারে পৌঁছে দেয়।




