বেনিন
ক্ষমতা দখলের ঘোষণা সেনাবাহিনীর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলছে সরকার

ক্ষমতা দখলের ঘোষণা সেনাবাহিনীর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলছে সরকার
সিটিজেন-ডেস্ক

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বেনিনে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে হাজির হয়ে একদল সৈন্য ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিয়েছে। তবে সরকার জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিস তালনের প্রতি অনুগত নিরাপত্তাবাহিনী এই অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। সরকারের সূত্রের বরাত রবিবার (০৭ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
এতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর একাংশের এই পদক্ষেপকে দেশটিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি নতুন হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত মাসে গিনি-বিসাউয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের পর ২০২০ সাল থেকে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় নবম অভ্যুত্থানের ঘটনা এটি।
রবিবার হেলমেট পরা কমপক্ষে আটজন সৈন্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে হাজির হয়ে ঘোষণা দেন, কর্নেল টিগ্রি পাস্কালের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক কমিটি ক্ষমতা গ্রহণ করেছে এবং দেশের সব জাতীয় প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংবিধান স্থগিত এবং আকাশ, স্থলপথ ও সমুদ্রবন্দর বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৈন্যদের ওই দলটি।
বিবৃতি পাঠ করতে গিয়ে সৈন্যদের একজন বলেন, সেনাবাহিনী বেনিনের জনগণকে সত্যিকার অর্থে একটি নতুন যুগের আশা দেওয়ার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ; যেখানে ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার এবং কাজের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আজাদি বাকারি রয়টার্সকে বলেছেন, সৈন্যদের ‘‘একটি ছোট দল’’ সরকার উৎখাতের চেষ্টা করেছে। তবে তালনের অনুগত বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘‘অভ্যুত্থানের চেষ্টা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেনাবাহিনীর বড় একটি অংশ এখনও অনুগত এবং আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছি।’’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আজাদি বাকারি বলেন, “অভ্যুত্থানকারীরা শুধু রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে।” রবিবার সকালে টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সকালের দিকে মানুষ যখন গির্জায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন দেশটির বৃহত্তম শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র কটোনুর বিভিন্ন এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়। দেশটিতে নিযুক্ত ফরাসি দূতাবাস ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে বলেছে, তালনের বাসভবনের কাছে গুলির ঘটনা ঘটেছে। দেশটিতে অবস্থানরত ফরাসি নাগরিকদের বাসার বাইরে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।
বেনিনে আগামী এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির মাঝেই রবিবারের এই অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ২০১৬ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা তালনের দায়িত্ব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
দেশটির আগামী নির্বাচনে বেনিনের ক্ষমতাসীন জোটের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে অর্থমন্ত্রী রোমুয়াল্ড ওয়াদাগনিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারের বর্তমান সংস্কার এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
তালনের দুই মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকা অঞ্চলে বিরল হিসেবে দেখা হয়, যেখানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্রমবর্ধমান অবনতির মুখে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, এএফপি

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বেনিনে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে হাজির হয়ে একদল সৈন্য ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিয়েছে। তবে সরকার জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিস তালনের প্রতি অনুগত নিরাপত্তাবাহিনী এই অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। সরকারের সূত্রের বরাত রবিবার (০৭ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
এতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর একাংশের এই পদক্ষেপকে দেশটিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি নতুন হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত মাসে গিনি-বিসাউয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের পর ২০২০ সাল থেকে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় নবম অভ্যুত্থানের ঘটনা এটি।
রবিবার হেলমেট পরা কমপক্ষে আটজন সৈন্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে হাজির হয়ে ঘোষণা দেন, কর্নেল টিগ্রি পাস্কালের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক কমিটি ক্ষমতা গ্রহণ করেছে এবং দেশের সব জাতীয় প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংবিধান স্থগিত এবং আকাশ, স্থলপথ ও সমুদ্রবন্দর বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৈন্যদের ওই দলটি।
বিবৃতি পাঠ করতে গিয়ে সৈন্যদের একজন বলেন, সেনাবাহিনী বেনিনের জনগণকে সত্যিকার অর্থে একটি নতুন যুগের আশা দেওয়ার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ; যেখানে ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার এবং কাজের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আজাদি বাকারি রয়টার্সকে বলেছেন, সৈন্যদের ‘‘একটি ছোট দল’’ সরকার উৎখাতের চেষ্টা করেছে। তবে তালনের অনুগত বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘‘অভ্যুত্থানের চেষ্টা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেনাবাহিনীর বড় একটি অংশ এখনও অনুগত এবং আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছি।’’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আজাদি বাকারি বলেন, “অভ্যুত্থানকারীরা শুধু রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে।” রবিবার সকালে টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সকালের দিকে মানুষ যখন গির্জায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন দেশটির বৃহত্তম শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র কটোনুর বিভিন্ন এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়। দেশটিতে নিযুক্ত ফরাসি দূতাবাস ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে বলেছে, তালনের বাসভবনের কাছে গুলির ঘটনা ঘটেছে। দেশটিতে অবস্থানরত ফরাসি নাগরিকদের বাসার বাইরে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।
বেনিনে আগামী এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির মাঝেই রবিবারের এই অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ২০১৬ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা তালনের দায়িত্ব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
দেশটির আগামী নির্বাচনে বেনিনের ক্ষমতাসীন জোটের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে অর্থমন্ত্রী রোমুয়াল্ড ওয়াদাগনিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারের বর্তমান সংস্কার এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
তালনের দুই মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকা অঞ্চলে বিরল হিসেবে দেখা হয়, যেখানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্রমবর্ধমান অবনতির মুখে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, এএফপি

ক্ষমতা দখলের ঘোষণা সেনাবাহিনীর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলছে সরকার
সিটিজেন-ডেস্ক

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বেনিনে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে হাজির হয়ে একদল সৈন্য ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিয়েছে। তবে সরকার জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিস তালনের প্রতি অনুগত নিরাপত্তাবাহিনী এই অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। সরকারের সূত্রের বরাত রবিবার (০৭ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
এতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর একাংশের এই পদক্ষেপকে দেশটিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি নতুন হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত মাসে গিনি-বিসাউয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের পর ২০২০ সাল থেকে পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকায় নবম অভ্যুত্থানের ঘটনা এটি।
রবিবার হেলমেট পরা কমপক্ষে আটজন সৈন্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে হাজির হয়ে ঘোষণা দেন, কর্নেল টিগ্রি পাস্কালের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক কমিটি ক্ষমতা গ্রহণ করেছে এবং দেশের সব জাতীয় প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সংবিধান স্থগিত এবং আকাশ, স্থলপথ ও সমুদ্রবন্দর বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৈন্যদের ওই দলটি।
বিবৃতি পাঠ করতে গিয়ে সৈন্যদের একজন বলেন, সেনাবাহিনী বেনিনের জনগণকে সত্যিকার অর্থে একটি নতুন যুগের আশা দেওয়ার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ; যেখানে ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার এবং কাজের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আজাদি বাকারি রয়টার্সকে বলেছেন, সৈন্যদের ‘‘একটি ছোট দল’’ সরকার উৎখাতের চেষ্টা করেছে। তবে তালনের অনুগত বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘‘অভ্যুত্থানের চেষ্টা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেনাবাহিনীর বড় একটি অংশ এখনও অনুগত এবং আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছি।’’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওলুশেগুন আজাদি বাকারি বলেন, “অভ্যুত্থানকারীরা শুধু রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে।” রবিবার সকালে টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সকালের দিকে মানুষ যখন গির্জায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন দেশটির বৃহত্তম শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র কটোনুর বিভিন্ন এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়। দেশটিতে নিযুক্ত ফরাসি দূতাবাস ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে বলেছে, তালনের বাসভবনের কাছে গুলির ঘটনা ঘটেছে। দেশটিতে অবস্থানরত ফরাসি নাগরিকদের বাসার বাইরে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।
বেনিনে আগামী এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির মাঝেই রবিবারের এই অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় ২০১৬ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা তালনের দায়িত্ব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
দেশটির আগামী নির্বাচনে বেনিনের ক্ষমতাসীন জোটের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে অর্থমন্ত্রী রোমুয়াল্ড ওয়াদাগনিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারের বর্তমান সংস্কার এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
তালনের দুই মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকা অঞ্চলে বিরল হিসেবে দেখা হয়, যেখানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্রমবর্ধমান অবনতির মুখে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, এএফপি




