শিরোনাম

জুলাই ঐক্যের ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ পদযাত্রায় পুলিশের বাধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই ঐক্যের ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ পদযাত্রায় পুলিশের বাধা
জুলাই ঐক্যের ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা। ছবি: হারুন-অর-রশীদ

জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোট ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) অভিমুখে 'জুলাই ঐক্য'-এর পদযাত্রা পুলিশের বাধার মুখে শেষ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনের কাছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সামনে ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ কর্মসূচি পুলিশের বাধায় আটকে দেওয়া হলে সেখানে সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় রাস্তায় র‌্যাব, আনসার, বিজিবি ও সেনা সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়।

মার্চ টু ইলেকশন কমিশন কর্মসূচিতে জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা। ছবি: হারুন-অর-রশীদ
মার্চ টু ইলেকশন কমিশন কর্মসূচিতে জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা। ছবি: হারুন-অর-রশীদ

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন, তারা বাকশালী ছাড়া কিছুই নয়। এরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত করতে চাইছে। আমাদের সুস্পষ্ট কথা, জাতীয় পার্টির মতো কোনো বাকশালীদের নির্বাচন করার সুযোগ বাংলাদেশে দেওয়া হবে না। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলে দিতে চাই, যারা বাকশালীদের পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছেন, আপনারা সাবধান হোন, হাসিনা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন। আপনাদের একই পরিণতি হতে সময় লাগবে না।

বক্তব্য দচ্ছেন জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ। ছবি: হারুন-অর-রশীদ
বক্তব্য দচ্ছেন জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ। ছবি: হারুন-অর-রশীদ

তিনি আরও বলেন, আপনারা যদি খুনি, ফ্যাসিস্ট হাসিনার পথ অনুসরণ করতে চান, ছাত্রজনতা আপনাদের ঠিক একইভাবে খুনি হাসিনার পথে পাঠিয়ে দিতে সক্ষম আছে।

এ সময় আন্দোলনকারীরা জাতীয় পার্টির নির্বাচন বর্জন ও জুলাই বিপ্লবের বিরোধিতাকারীদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের হাতে দাবি সংবলিত নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

পরে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দলকে নির্বাচন কমিশনের ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। দুপুর ১টার পর প্রতিনিধি দলটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি পৌঁছে দিতে ইসি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন।

‎আন্দোলনকারী নেতারা জানিয়েছেন, আজকের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পর আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দেশের সব বিভাগীয় শহরে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় অভিমুখে ‘মার্চ’ ও ‘স্মারকলিপি’ প্রদান কর্মসূচি পালন করা হবে।

/এনআর/জেএইচ/