আপিল শুনানির প্রথম দিন
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারাসহ ৫২ জন

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারাসহ ৫২ জন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদনের শুনানি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) শুনানির প্রথম দিনে ৭০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫২ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। তাদের মধ্যে আছেন আলোচিত নাম তাসনিম জারা। জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদও প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৫২টি। নামঞ্জুর হয়েছে ১৫টি। শুনানিতে অনুপস্থিতি ছিলেন দুজন, তারাও নামঞ্জুরের তালিকায়। এছাড়া তিনটি আবেদন পেন্ডিং রয়েছে।’
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে আপিল হয়েছিল ইসিতে। সেই আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টিকলেন না একরামুজ্জমান। আর ১৫ জন আপিলকারীর আবেদন না-মঞ্জুর করে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন; তাতে প্রার্থিতা আর ফিরলো না তাদের।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। নির্বাচন কমিশনে গত ৫ জানুয়ারি আপিল গ্রহণ শুরু হয়ে ৯ জানুয়ারি শেষ হয়। এর আগে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩টি মনোনয়ন বাতিল করেন।
তফশিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সংখ্যা তখনই চূড়ান্ত হবে। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি এবং প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদনের শুনানি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) শুনানির প্রথম দিনে ৭০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫২ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। তাদের মধ্যে আছেন আলোচিত নাম তাসনিম জারা। জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদও প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৫২টি। নামঞ্জুর হয়েছে ১৫টি। শুনানিতে অনুপস্থিতি ছিলেন দুজন, তারাও নামঞ্জুরের তালিকায়। এছাড়া তিনটি আবেদন পেন্ডিং রয়েছে।’
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে আপিল হয়েছিল ইসিতে। সেই আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টিকলেন না একরামুজ্জমান। আর ১৫ জন আপিলকারীর আবেদন না-মঞ্জুর করে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন; তাতে প্রার্থিতা আর ফিরলো না তাদের।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। নির্বাচন কমিশনে গত ৫ জানুয়ারি আপিল গ্রহণ শুরু হয়ে ৯ জানুয়ারি শেষ হয়। এর আগে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩টি মনোনয়ন বাতিল করেন।
তফশিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সংখ্যা তখনই চূড়ান্ত হবে। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি এবং প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন তাসনিম জারাসহ ৫২ জন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদনের শুনানি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) শুনানির প্রথম দিনে ৭০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫২ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। তাদের মধ্যে আছেন আলোচিত নাম তাসনিম জারা। জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদও প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৫২টি। নামঞ্জুর হয়েছে ১৫টি। শুনানিতে অনুপস্থিতি ছিলেন দুজন, তারাও নামঞ্জুরের তালিকায়। এছাড়া তিনটি আবেদন পেন্ডিং রয়েছে।’
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে আপিল হয়েছিল ইসিতে। সেই আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টিকলেন না একরামুজ্জমান। আর ১৫ জন আপিলকারীর আবেদন না-মঞ্জুর করে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন; তাতে প্রার্থিতা আর ফিরলো না তাদের।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। নির্বাচন কমিশনে গত ৫ জানুয়ারি আপিল গ্রহণ শুরু হয়ে ৯ জানুয়ারি শেষ হয়। এর আগে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩টি মনোনয়ন বাতিল করেন।
তফশিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তি শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সংখ্যা তখনই চূড়ান্ত হবে। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি এবং প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।




