রামগড় স্থলবন্দরে কঠোর নজরদারির নির্দেশ নৌ পরিবহন উপদেষ্টার

রামগড় স্থলবন্দরে কঠোর নজরদারির নির্দেশ নৌ পরিবহন উপদেষ্টার
নিজস্ব প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি জোরদার এবং পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘ভারতের জন্য বন্দর নির্মাণে পাহাড় কেটে জমি ভরাট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, পরিবেশ ধ্বংস বা সরকারি প্রকল্পে কোনো অনিয়ম সরকার কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত নজরদারি, অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং স্থলবন্দরের রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি প্রকাশিত ওই সংবাদে রামগড় স্থলবন্দরের জমিভরাটে পরিবেশ ধ্বংস করে পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে উপদেষ্টার নির্দেশে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন, নথিপত্র পর্যালোচনা, স্থানীয়দের সাক্ষাৎকার এবং প্রকৌশলগত মান যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করে।
তদন্ত কমিটির মতে, জানুয়ারিতে প্রকাশিত সংবাদ ও আলোকচিত্র স্থলবন্দরের চলমান জমিভরাট কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। কারিগরি যাচাইয়ে দেখা যায়, চুক্তি অনুযায়ী ব্যবহৃত বালুর ফাইননেস মডুলাস (এফএম) শূণ্য দশমিক ৮০ হওয়ার কথা থাকলেও কুয়েট ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় পাওয়া গেছে ১ দশমিক ৬২ এবং সরেজমিন প্রতিবেদনে ১ দশমিক ৮৪। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে বুয়েট বা স্বীকৃত কোনো ল্যাবে পুনরায় নমুনা পরীক্ষার সুপারিশ করা হয়েছে।
অবকাঠামোগত পরিদর্শনে কোথাও বড় ধরনের বসে যাওয়া বা কাঠামোগত ত্রুটি পাওয়া যায়নি, তবে কিছু স্থানে প্লাস্টারের কিউরিং ঘাটতির কারণে সামান্য ত্রুটি রয়েছে, যা মেরামতযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।
পরিবেশগত বিষয়ে কমিটি জানায়, অতীতে রামগড়ে অবৈধ পাহাড় কাটার ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও জরিমানা করা হয়েছে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর সঙ্গে স্থলবন্দরের কাজের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি জোরদার এবং পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘ভারতের জন্য বন্দর নির্মাণে পাহাড় কেটে জমি ভরাট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, পরিবেশ ধ্বংস বা সরকারি প্রকল্পে কোনো অনিয়ম সরকার কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত নজরদারি, অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং স্থলবন্দরের রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি প্রকাশিত ওই সংবাদে রামগড় স্থলবন্দরের জমিভরাটে পরিবেশ ধ্বংস করে পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে উপদেষ্টার নির্দেশে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন, নথিপত্র পর্যালোচনা, স্থানীয়দের সাক্ষাৎকার এবং প্রকৌশলগত মান যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করে।
তদন্ত কমিটির মতে, জানুয়ারিতে প্রকাশিত সংবাদ ও আলোকচিত্র স্থলবন্দরের চলমান জমিভরাট কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। কারিগরি যাচাইয়ে দেখা যায়, চুক্তি অনুযায়ী ব্যবহৃত বালুর ফাইননেস মডুলাস (এফএম) শূণ্য দশমিক ৮০ হওয়ার কথা থাকলেও কুয়েট ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় পাওয়া গেছে ১ দশমিক ৬২ এবং সরেজমিন প্রতিবেদনে ১ দশমিক ৮৪। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে বুয়েট বা স্বীকৃত কোনো ল্যাবে পুনরায় নমুনা পরীক্ষার সুপারিশ করা হয়েছে।
অবকাঠামোগত পরিদর্শনে কোথাও বড় ধরনের বসে যাওয়া বা কাঠামোগত ত্রুটি পাওয়া যায়নি, তবে কিছু স্থানে প্লাস্টারের কিউরিং ঘাটতির কারণে সামান্য ত্রুটি রয়েছে, যা মেরামতযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।
পরিবেশগত বিষয়ে কমিটি জানায়, অতীতে রামগড়ে অবৈধ পাহাড় কাটার ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও জরিমানা করা হয়েছে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর সঙ্গে স্থলবন্দরের কাজের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

রামগড় স্থলবন্দরে কঠোর নজরদারির নির্দেশ নৌ পরিবহন উপদেষ্টার
নিজস্ব প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি জোরদার এবং পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘ভারতের জন্য বন্দর নির্মাণে পাহাড় কেটে জমি ভরাট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
তিনি জানান, পরিবেশ ধ্বংস বা সরকারি প্রকল্পে কোনো অনিয়ম সরকার কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত নজরদারি, অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং স্থলবন্দরের রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি প্রকাশিত ওই সংবাদে রামগড় স্থলবন্দরের জমিভরাটে পরিবেশ ধ্বংস করে পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে উপদেষ্টার নির্দেশে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন, নথিপত্র পর্যালোচনা, স্থানীয়দের সাক্ষাৎকার এবং প্রকৌশলগত মান যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করে।
তদন্ত কমিটির মতে, জানুয়ারিতে প্রকাশিত সংবাদ ও আলোকচিত্র স্থলবন্দরের চলমান জমিভরাট কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। কারিগরি যাচাইয়ে দেখা যায়, চুক্তি অনুযায়ী ব্যবহৃত বালুর ফাইননেস মডুলাস (এফএম) শূণ্য দশমিক ৮০ হওয়ার কথা থাকলেও কুয়েট ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় পাওয়া গেছে ১ দশমিক ৬২ এবং সরেজমিন প্রতিবেদনে ১ দশমিক ৮৪। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে বুয়েট বা স্বীকৃত কোনো ল্যাবে পুনরায় নমুনা পরীক্ষার সুপারিশ করা হয়েছে।
অবকাঠামোগত পরিদর্শনে কোথাও বড় ধরনের বসে যাওয়া বা কাঠামোগত ত্রুটি পাওয়া যায়নি, তবে কিছু স্থানে প্লাস্টারের কিউরিং ঘাটতির কারণে সামান্য ত্রুটি রয়েছে, যা মেরামতযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।
পরিবেশগত বিষয়ে কমিটি জানায়, অতীতে রামগড়ে অবৈধ পাহাড় কাটার ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও জরিমানা করা হয়েছে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর সঙ্গে স্থলবন্দরের কাজের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।




