দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই গণভোট : তথ্য উপদেষ্টা

দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই গণভোট : তথ্য উপদেষ্টা
সিটিজেন-ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশের মালিকানা প্রকৃত অর্থে জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার জন্যই আসন্ন গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা, তা বাস্তবায়নের জন্য টেকসই পরিবর্তন চাইলে প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের গণভোটে অংশগ্রহণ করা নৈতিক দায়িত্ব।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট সদর উপজেলার বুরহাননগর গ্রামে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সিলেট জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্র মূলত ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে। এখন সুযোগ এসেছে জনগণের হাতে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার।
তিনি বলেন, নিজেদের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণভোটে অংশ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নয়; মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই প্রকৃত উন্নয়ন।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রাখা হয়েছে, যেগুলোতে জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়া প্রতিফলিত হয়েছে। নিরপেক্ষ ও গুণী ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রণীত সংস্কার প্রস্তাব জনগণের অধিকার সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। দেশে আর কোনো একচ্ছত্র ক্ষমতার দানব তৈরি হতে না চাইলে গণভোটে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।
উঠান বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব বলেন, আমরা অতীতে ফিরে যেতে চাই না। এবার সবাই মিলে দেশ পরিচালনা করতে চাই। দীর্ঘদিন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার সুযোগ আর দেওয়া যাবে না। তিনি জনগণকে নিজ নিজ পরিবার ও সমাজে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আলতাফ উল আলম, সিলেট বিভাগের কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী এবসিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশের মালিকানা প্রকৃত অর্থে জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার জন্যই আসন্ন গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা, তা বাস্তবায়নের জন্য টেকসই পরিবর্তন চাইলে প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের গণভোটে অংশগ্রহণ করা নৈতিক দায়িত্ব।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট সদর উপজেলার বুরহাননগর গ্রামে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সিলেট জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্র মূলত ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে। এখন সুযোগ এসেছে জনগণের হাতে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার।
তিনি বলেন, নিজেদের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণভোটে অংশ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নয়; মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই প্রকৃত উন্নয়ন।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রাখা হয়েছে, যেগুলোতে জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়া প্রতিফলিত হয়েছে। নিরপেক্ষ ও গুণী ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রণীত সংস্কার প্রস্তাব জনগণের অধিকার সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। দেশে আর কোনো একচ্ছত্র ক্ষমতার দানব তৈরি হতে না চাইলে গণভোটে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।
উঠান বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব বলেন, আমরা অতীতে ফিরে যেতে চাই না। এবার সবাই মিলে দেশ পরিচালনা করতে চাই। দীর্ঘদিন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার সুযোগ আর দেওয়া যাবে না। তিনি জনগণকে নিজ নিজ পরিবার ও সমাজে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আলতাফ উল আলম, সিলেট বিভাগের কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী এবসিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই গণভোট : তথ্য উপদেষ্টা
সিটিজেন-ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দেশের মালিকানা প্রকৃত অর্থে জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার জন্যই আসন্ন গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা, তা বাস্তবায়নের জন্য টেকসই পরিবর্তন চাইলে প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের গণভোটে অংশগ্রহণ করা নৈতিক দায়িত্ব।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট সদর উপজেলার বুরহাননগর গ্রামে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সিলেট জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্র মূলত ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে। এখন সুযোগ এসেছে জনগণের হাতে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার।
তিনি বলেন, নিজেদের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণভোটে অংশ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নয়; মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই প্রকৃত উন্নয়ন।
তিনি আরও বলেন, গণভোটে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রাখা হয়েছে, যেগুলোতে জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়া প্রতিফলিত হয়েছে। নিরপেক্ষ ও গুণী ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রণীত সংস্কার প্রস্তাব জনগণের অধিকার সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। দেশে আর কোনো একচ্ছত্র ক্ষমতার দানব তৈরি হতে না চাইলে গণভোটে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।
উঠান বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার সচিব বলেন, আমরা অতীতে ফিরে যেতে চাই না। এবার সবাই মিলে দেশ পরিচালনা করতে চাই। দীর্ঘদিন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার সুযোগ আর দেওয়া যাবে না। তিনি জনগণকে নিজ নিজ পরিবার ও সমাজে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।
গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আলতাফ উল আলম, সিলেট বিভাগের কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী এবসিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।




