নতুন জোটের ইঙ্গিত ইসলামী আন্দোলনের

নতুন জোটের ইঙ্গিত ইসলামী আন্দোলনের
নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন জোট গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দেলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। এর আগ পর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।
আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সৃষ্ট জটিলতার মধ্যে নতুন জোটের এ ইঙ্গিত দেন গাজী আতাউর। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তাদের প্রতি যাদের শ্রদ্ধা রয়েছে, তাদের সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলটির জামায়াতের জোটে থেকে অংশ নেওয়ার কথা চলছিল। বুধবার বিকালে এই জোটের ১১টি দলের কে কোন আসনে প্রার্থী হবেন, তা ঘোষণা করার সংবাদ সম্মেলন হওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন নিয়ে মতৈক্য না হওয়ার কারণেই এ সংবাদ সম্মেলন ভেস্তে গেছে। ইসলামী আন্দোলন ৫০টি আসন চাইছে, কিন্তু জামায়াত ৪০টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি নয়। এ নিয়ে ইসলামী দল দুটির সমঝোতা আটকে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর বলেন, আশা করা হয়েছিল, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মঙ্গলবার পর্যন্ত সেটি হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এদিন বৈঠক করে দলের সব স্তরের নেতাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। মাঠের তথ্য নেওয়া হয়েছে, প্রার্থীদের কথা শোনা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে বুধবার তাদের মজলিসে আমেলার (দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম) বৈঠক হয়েছে। যাদের নিয়ে শুরু থেকে পথচলা, তাদের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন যোগাযোগ করছে।
তিনি বলেন, ‘ওয়ান বক্স’ পলিসির আওতায় আগামীর পথচলা কেমন হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘোষণা দিয়ে এসেছেন, তারা সামনে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকার গঠন করার জন্য আলোচনা করবেন। এ আলোচনা নির্বাচনের পরও হবে। জাতীয় সরকারের ব্যাপারেও তিনি কথা বলেছেন। জামায়াতের আমির বলেছেন, খালেদা জিয়া ঐক্যের যে পাটাতন তৈরি করেছিলেন, সেই ঐক্যের পাটাতনের ওপরে দাঁড়িয়ে তারা আগামীতে রাষ্ট্র চালাবেন। তবে সেই ঐক্যের পাটাতন খালেদা জিয়ার জীবদ্দশাতেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সেই পাটাতন আবার মেরামত করার জন্য বলেছেন জামায়াতের আমির। এতে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে একটু সংশয় তৈরি হয়েছে, জামায়াত কি জাতীয় পার্টির মতো ভূমিকা পালন করবে?
ইসলামী আন্দোলন এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে কি না– এমন প্রশ্নে গাজী আতাউর বলেন, এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। অনেকের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। যাদের ইসলামী আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা আছে, তাদের নিয়ে পথ চলবেন বলে জানান তিনি।
জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা ভেস্তে গেছে– এমন পরিস্থিতিও এখনো তৈরি হয়নি বলে জানান ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র। তিনি বলেন, নির্বাচনী আসন সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা কাউকে বের করে দেওয়ার মতো অবস্থা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী আন্দোলন জাতীয় ঐক্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। নানা প্রতিকূলতা থাকলেও ন্যূনতম সমঝোতা যেন থাকে, ইসলামী আন্দোলন সেই চেষ্টা করে যাবে।
এই জোটে জটিলতার ব্যাখ্যায় গাজী আতাউর বলেন, আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে কিছু সংকট আছে। কারও চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনকে মেনে নিতে হবে, এই রাজনীতি অতীতেও করেনি। কেউ ইসলামী আন্দোলনকে অবহেলা করলে তা-ও মেনে নেওয়া যাবে না।

নতুন জোট গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দেলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। এর আগ পর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।
আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সৃষ্ট জটিলতার মধ্যে নতুন জোটের এ ইঙ্গিত দেন গাজী আতাউর। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তাদের প্রতি যাদের শ্রদ্ধা রয়েছে, তাদের সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলটির জামায়াতের জোটে থেকে অংশ নেওয়ার কথা চলছিল। বুধবার বিকালে এই জোটের ১১টি দলের কে কোন আসনে প্রার্থী হবেন, তা ঘোষণা করার সংবাদ সম্মেলন হওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন নিয়ে মতৈক্য না হওয়ার কারণেই এ সংবাদ সম্মেলন ভেস্তে গেছে। ইসলামী আন্দোলন ৫০টি আসন চাইছে, কিন্তু জামায়াত ৪০টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি নয়। এ নিয়ে ইসলামী দল দুটির সমঝোতা আটকে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর বলেন, আশা করা হয়েছিল, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মঙ্গলবার পর্যন্ত সেটি হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এদিন বৈঠক করে দলের সব স্তরের নেতাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। মাঠের তথ্য নেওয়া হয়েছে, প্রার্থীদের কথা শোনা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে বুধবার তাদের মজলিসে আমেলার (দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম) বৈঠক হয়েছে। যাদের নিয়ে শুরু থেকে পথচলা, তাদের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন যোগাযোগ করছে।
তিনি বলেন, ‘ওয়ান বক্স’ পলিসির আওতায় আগামীর পথচলা কেমন হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘোষণা দিয়ে এসেছেন, তারা সামনে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকার গঠন করার জন্য আলোচনা করবেন। এ আলোচনা নির্বাচনের পরও হবে। জাতীয় সরকারের ব্যাপারেও তিনি কথা বলেছেন। জামায়াতের আমির বলেছেন, খালেদা জিয়া ঐক্যের যে পাটাতন তৈরি করেছিলেন, সেই ঐক্যের পাটাতনের ওপরে দাঁড়িয়ে তারা আগামীতে রাষ্ট্র চালাবেন। তবে সেই ঐক্যের পাটাতন খালেদা জিয়ার জীবদ্দশাতেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সেই পাটাতন আবার মেরামত করার জন্য বলেছেন জামায়াতের আমির। এতে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে একটু সংশয় তৈরি হয়েছে, জামায়াত কি জাতীয় পার্টির মতো ভূমিকা পালন করবে?
ইসলামী আন্দোলন এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে কি না– এমন প্রশ্নে গাজী আতাউর বলেন, এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। অনেকের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। যাদের ইসলামী আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা আছে, তাদের নিয়ে পথ চলবেন বলে জানান তিনি।
জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা ভেস্তে গেছে– এমন পরিস্থিতিও এখনো তৈরি হয়নি বলে জানান ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র। তিনি বলেন, নির্বাচনী আসন সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা কাউকে বের করে দেওয়ার মতো অবস্থা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী আন্দোলন জাতীয় ঐক্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। নানা প্রতিকূলতা থাকলেও ন্যূনতম সমঝোতা যেন থাকে, ইসলামী আন্দোলন সেই চেষ্টা করে যাবে।
এই জোটে জটিলতার ব্যাখ্যায় গাজী আতাউর বলেন, আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে কিছু সংকট আছে। কারও চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনকে মেনে নিতে হবে, এই রাজনীতি অতীতেও করেনি। কেউ ইসলামী আন্দোলনকে অবহেলা করলে তা-ও মেনে নেওয়া যাবে না।

নতুন জোটের ইঙ্গিত ইসলামী আন্দোলনের
নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন জোট গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দেলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ। এর আগ পর্যন্ত যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।
আসন সমঝোতা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সৃষ্ট জটিলতার মধ্যে নতুন জোটের এ ইঙ্গিত দেন গাজী আতাউর। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তাদের প্রতি যাদের শ্রদ্ধা রয়েছে, তাদের সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলটির জামায়াতের জোটে থেকে অংশ নেওয়ার কথা চলছিল। বুধবার বিকালে এই জোটের ১১টি দলের কে কোন আসনে প্রার্থী হবেন, তা ঘোষণা করার সংবাদ সম্মেলন হওয়ারও কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন নিয়ে মতৈক্য না হওয়ার কারণেই এ সংবাদ সম্মেলন ভেস্তে গেছে। ইসলামী আন্দোলন ৫০টি আসন চাইছে, কিন্তু জামায়াত ৪০টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি নয়। এ নিয়ে ইসলামী দল দুটির সমঝোতা আটকে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর বলেন, আশা করা হয়েছিল, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু মঙ্গলবার পর্যন্ত সেটি হয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এদিন বৈঠক করে দলের সব স্তরের নেতাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। মাঠের তথ্য নেওয়া হয়েছে, প্রার্থীদের কথা শোনা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে বুধবার তাদের মজলিসে আমেলার (দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম) বৈঠক হয়েছে। যাদের নিয়ে শুরু থেকে পথচলা, তাদের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন যোগাযোগ করছে।
তিনি বলেন, ‘ওয়ান বক্স’ পলিসির আওতায় আগামীর পথচলা কেমন হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘোষণা দিয়ে এসেছেন, তারা সামনে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকার গঠন করার জন্য আলোচনা করবেন। এ আলোচনা নির্বাচনের পরও হবে। জাতীয় সরকারের ব্যাপারেও তিনি কথা বলেছেন। জামায়াতের আমির বলেছেন, খালেদা জিয়া ঐক্যের যে পাটাতন তৈরি করেছিলেন, সেই ঐক্যের পাটাতনের ওপরে দাঁড়িয়ে তারা আগামীতে রাষ্ট্র চালাবেন। তবে সেই ঐক্যের পাটাতন খালেদা জিয়ার জীবদ্দশাতেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সেই পাটাতন আবার মেরামত করার জন্য বলেছেন জামায়াতের আমির। এতে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে একটু সংশয় তৈরি হয়েছে, জামায়াত কি জাতীয় পার্টির মতো ভূমিকা পালন করবে?
ইসলামী আন্দোলন এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে কি না– এমন প্রশ্নে গাজী আতাউর বলেন, এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। অনেকের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। যাদের ইসলামী আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা আছে, তাদের নিয়ে পথ চলবেন বলে জানান তিনি।
জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা ভেস্তে গেছে– এমন পরিস্থিতিও এখনো তৈরি হয়নি বলে জানান ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র। তিনি বলেন, নির্বাচনী আসন সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা কাউকে বের করে দেওয়ার মতো অবস্থা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী আন্দোলন জাতীয় ঐক্য টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। নানা প্রতিকূলতা থাকলেও ন্যূনতম সমঝোতা যেন থাকে, ইসলামী আন্দোলন সেই চেষ্টা করে যাবে।
এই জোটে জটিলতার ব্যাখ্যায় গাজী আতাউর বলেন, আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে কিছু সংকট আছে। কারও চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনকে মেনে নিতে হবে, এই রাজনীতি অতীতেও করেনি। কেউ ইসলামী আন্দোলনকে অবহেলা করলে তা-ও মেনে নেওয়া যাবে না।




