শিরোনাম

এনসিপিতে যোগ দিলেন আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
এনসিপিতে যোগ দিলেন আসিফ মাহমুদ
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগের পর জানিয়েছিলেন, স্বতন্ত্র হিসেবে লড়বেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। তবে (২৯ ডিসেম্বর) আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় বাংলামোটরে অবস্থিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আসিফ মাহমুদ এনসিপিতে যোগ দিয়ে দলটিতে মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করবেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আজ জাতীয় নাগরিক পার্টির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফল সাবেক উপদেষ্টা জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আজ আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের দলে যোগদান করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক, তাকে এনসিপি-র মুখপাত্র এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

আসিফ মাহমুদ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে এনসিপির জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আসিফ মাহমুদ নিজে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে আমাদের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করবেন। আমরা বিশ্বাস করি, তার প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দক্ষতা বাংলাদেশকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ পরিবেশ উপহার দিতে সহায়ক হবে।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি না। আমি মনে করি, আমার একার সংসদে যাওয়ার চেয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অসংখ্য সহযোদ্ধাকে সংসদে পৌঁছে দিতে কাজ করাটা বড় সাফল্য। আমি এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আসন্ন গণভোটে 'হ্যাঁ' জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করবো। কারণ, একজন এমপি বা সরকার পাঁচ বছরের জন্য হতে পারে, কিন্তু কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ১০০ বছর এগিয়ে যাবে।’

এর আগে ঢাকা ১০ থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছিলেন আসিফ মাহমুদ। এছাড়া তার সমর্থকরা কুমিল্লা ৩ আসন থেকেও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এ বছরের ১০ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন।