ফিক্সিংয়ের অভিযোগ, বিসিবি পরিচালক মোখলেসুরের পদতাগ

ফিক্সিংয়ের অভিযোগ, বিসিবি পরিচালক মোখলেসুরের পদতাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিপিএলের সদ্য সমাপ্ত আসরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মোখলেসুরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট।
এর পরই বিসিবির অডিট কমিটিসহ অন্যান্য সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিসিবির এই পরিচালক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি তিনি নিজেই জানিয়েছেন।
নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে মোখলেসুর রহমান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট আমার কাছে শুধু দায়িত্ব নয়– এটি আবেগ, ভালোবাসা ও সম্মানের জায়গা। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কষ্টের হলেও বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত অবস্থানের চেয়ে দেশের ক্রিকেটের সুনাম সবার আগে। আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবো এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে। সবসময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাশে ছিলাম, আছি, থাকব।’
মোখলেসুর আগে বিসিবির অডিট কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সম্প্রতি ক্রীড়া সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিম ইউটিউব ও ফেসবুকে নিজের পেজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, যেখানে বিসিবির এ পরিচালকের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলা হয়।
ওই প্রতিবেদনে রিয়াসাদ আজিম মোখলেসুর ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক তৌহিদের মধ্যে কথোপকথনের ফোন রেকর্ড প্রকাশ করেন। রেকর্ডে দেখা যায়, কীভাবে ম্যাচ পরিচালিত হবে এবং কে কত টাকা দেবে– তৌহিদকে এমন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন মোখলেসুর।
সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগ নিয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘এরই মধ্যে অ্যালেক্স মার্শাল (বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান) তদন্ত শুরু করেছেন। আর উনি (মোখলেসুর) অডিট কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।’
উল্লেখ্য, সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অধীনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে নির্বাচিত হন মোখলেসুর। এরপর তিনি বিসিবির অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফিক্সিং অভিযোগ ওঠার পর সেই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন মোখলেসুর।

বিপিএলের সদ্য সমাপ্ত আসরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মোখলেসুরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট।
এর পরই বিসিবির অডিট কমিটিসহ অন্যান্য সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিসিবির এই পরিচালক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি তিনি নিজেই জানিয়েছেন।
নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে মোখলেসুর রহমান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট আমার কাছে শুধু দায়িত্ব নয়– এটি আবেগ, ভালোবাসা ও সম্মানের জায়গা। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কষ্টের হলেও বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত অবস্থানের চেয়ে দেশের ক্রিকেটের সুনাম সবার আগে। আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবো এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে। সবসময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাশে ছিলাম, আছি, থাকব।’
মোখলেসুর আগে বিসিবির অডিট কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সম্প্রতি ক্রীড়া সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিম ইউটিউব ও ফেসবুকে নিজের পেজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, যেখানে বিসিবির এ পরিচালকের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলা হয়।
ওই প্রতিবেদনে রিয়াসাদ আজিম মোখলেসুর ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক তৌহিদের মধ্যে কথোপকথনের ফোন রেকর্ড প্রকাশ করেন। রেকর্ডে দেখা যায়, কীভাবে ম্যাচ পরিচালিত হবে এবং কে কত টাকা দেবে– তৌহিদকে এমন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন মোখলেসুর।
সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগ নিয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘এরই মধ্যে অ্যালেক্স মার্শাল (বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান) তদন্ত শুরু করেছেন। আর উনি (মোখলেসুর) অডিট কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।’
উল্লেখ্য, সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অধীনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে নির্বাচিত হন মোখলেসুর। এরপর তিনি বিসিবির অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফিক্সিং অভিযোগ ওঠার পর সেই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন মোখলেসুর।

ফিক্সিংয়ের অভিযোগ, বিসিবি পরিচালক মোখলেসুরের পদতাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিপিএলের সদ্য সমাপ্ত আসরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মোখলেসুরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিট।
এর পরই বিসিবির অডিট কমিটিসহ অন্যান্য সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিসিবির এই পরিচালক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি তিনি নিজেই জানিয়েছেন।
নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে মোখলেসুর রহমান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট আমার কাছে শুধু দায়িত্ব নয়– এটি আবেগ, ভালোবাসা ও সম্মানের জায়গা। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া কষ্টের হলেও বিশ্বাস করি, ব্যক্তিগত অবস্থানের চেয়ে দেশের ক্রিকেটের সুনাম সবার আগে। আমি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবো এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে। সবসময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের পাশে ছিলাম, আছি, থাকব।’
মোখলেসুর আগে বিসিবির অডিট কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সম্প্রতি ক্রীড়া সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিম ইউটিউব ও ফেসবুকে নিজের পেজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, যেখানে বিসিবির এ পরিচালকের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলা হয়।
ওই প্রতিবেদনে রিয়াসাদ আজিম মোখলেসুর ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক তৌহিদের মধ্যে কথোপকথনের ফোন রেকর্ড প্রকাশ করেন। রেকর্ডে দেখা যায়, কীভাবে ম্যাচ পরিচালিত হবে এবং কে কত টাকা দেবে– তৌহিদকে এমন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন মোখলেসুর।
সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগ নিয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘এরই মধ্যে অ্যালেক্স মার্শাল (বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান) তদন্ত শুরু করেছেন। আর উনি (মোখলেসুর) অডিট কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।’
উল্লেখ্য, সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অধীনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে নির্বাচিত হন মোখলেসুর। এরপর তিনি বিসিবির অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফিক্সিং অভিযোগ ওঠার পর সেই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন মোখলেসুর।




