মানিকগঞ্জে তিনটি আসনে বৈধ প্রার্থী ১৮ জন

মানিকগঞ্জে তিনটি আসনে বৈধ প্রার্থী ১৮ জন
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি, জামায়াত জোট ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ১৮ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাইয়ে কাগজপত্র ত্রুটি থাকায় মানিকগঞ্জের তিনটি আসনের স্বতন্ত্র ও বিএনপি স্বতন্ত্র এবং জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ৯ জন প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মিলনায়তনে জেলা রিটার্নিং অফিসার নাজমুন আরা সুলতানা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্রে ত্রুটি, ঋণ খেলাপী ও ভোটার তালিকায় সঠিক তথ্য না থাকায় মানিকগঞ্জ-১ আসনে (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু কাগজপত্রে ত্রুটি ও এক শতাংশ ভোটার তালিকায় তথ্য সঠিক না থাকায় জনতা দলের প্রার্থী মো. শাহজাহান খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আব্দুল আলী বেপারী এবং মানিকগঞ্জ-২ আসনে সাবেক এমপি জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এসএম আব্দুল মান্নান এবং এক শতাংশ ভোটার তালিকায় তথ্য সঠিক না বিএনপি (স্বতন্ত্র) সিংগাইর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবিদুর রহমান নোমান, বিএনপি (স্বতন্ত্র) জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো.আব্দুল হক মোল্লা ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু কাগজপত্র ও ভোটার তালিকায় ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান আতা, (স্বতন্ত্র) প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, এবি পার্টির মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা মো. ফারুক হোসেনের (স্বতন্ত্র) প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
অপরদিকে ঋণ খেলাপী, সঠিক কাগজপত্র ও আইনগত ঝামেলা না থাকায় মানিকগঞ্জ-১ আসনে (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) বিএনপির মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস.এ জিন্নাহ কবির, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী মনোনীত আবু বক্কর সিদ্দিক, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন, জেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেলন হক তোজা স্বতন্ত্র (বিএনপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত মো. হেদায়েতুল্লাহ, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মনোনীত দিলীপ কুমার দাশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. খোরশেদ আলম এবং মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর) বিএনপি মনোনীত মাঈনুল ইসলাম খান শান্ত, খেলাফত মজলিস (জামায়াত জোট) মনোনীত মো. সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোহাম্মদ আলী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির আহবায়ক আফরোজা খানম রিতা, গণফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এমপি মফিজুল ইসলাম খান কামাল (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহা. দেলওয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ জাসদ মনোনীত মো. শাহজাহান আলী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত মুহাম্মদ সাঈদ নূর, জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, জাতীয় পার্টির মনোনীত আবুল বাশার বাদশা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী সামসুদ্দিনের প্রার্থীতা বৈধতা ঘোষণা করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি, জামায়াত জোট ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ১৮ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাইয়ে কাগজপত্র ত্রুটি থাকায় মানিকগঞ্জের তিনটি আসনের স্বতন্ত্র ও বিএনপি স্বতন্ত্র এবং জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ৯ জন প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মিলনায়তনে জেলা রিটার্নিং অফিসার নাজমুন আরা সুলতানা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্রে ত্রুটি, ঋণ খেলাপী ও ভোটার তালিকায় সঠিক তথ্য না থাকায় মানিকগঞ্জ-১ আসনে (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু কাগজপত্রে ত্রুটি ও এক শতাংশ ভোটার তালিকায় তথ্য সঠিক না থাকায় জনতা দলের প্রার্থী মো. শাহজাহান খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আব্দুল আলী বেপারী এবং মানিকগঞ্জ-২ আসনে সাবেক এমপি জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এসএম আব্দুল মান্নান এবং এক শতাংশ ভোটার তালিকায় তথ্য সঠিক না বিএনপি (স্বতন্ত্র) সিংগাইর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবিদুর রহমান নোমান, বিএনপি (স্বতন্ত্র) জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো.আব্দুল হক মোল্লা ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু কাগজপত্র ও ভোটার তালিকায় ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান আতা, (স্বতন্ত্র) প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, এবি পার্টির মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা মো. ফারুক হোসেনের (স্বতন্ত্র) প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
অপরদিকে ঋণ খেলাপী, সঠিক কাগজপত্র ও আইনগত ঝামেলা না থাকায় মানিকগঞ্জ-১ আসনে (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) বিএনপির মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস.এ জিন্নাহ কবির, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী মনোনীত আবু বক্কর সিদ্দিক, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন, জেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেলন হক তোজা স্বতন্ত্র (বিএনপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত মো. হেদায়েতুল্লাহ, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মনোনীত দিলীপ কুমার দাশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. খোরশেদ আলম এবং মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর) বিএনপি মনোনীত মাঈনুল ইসলাম খান শান্ত, খেলাফত মজলিস (জামায়াত জোট) মনোনীত মো. সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোহাম্মদ আলী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির আহবায়ক আফরোজা খানম রিতা, গণফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এমপি মফিজুল ইসলাম খান কামাল (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহা. দেলওয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ জাসদ মনোনীত মো. শাহজাহান আলী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত মুহাম্মদ সাঈদ নূর, জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, জাতীয় পার্টির মনোনীত আবুল বাশার বাদশা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী সামসুদ্দিনের প্রার্থীতা বৈধতা ঘোষণা করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জে তিনটি আসনে বৈধ প্রার্থী ১৮ জন
মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি, জামায়াত জোট ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ১৮ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাইয়ে কাগজপত্র ত্রুটি থাকায় মানিকগঞ্জের তিনটি আসনের স্বতন্ত্র ও বিএনপি স্বতন্ত্র এবং জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের ৯ জন প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মিলনায়তনে জেলা রিটার্নিং অফিসার নাজমুন আরা সুলতানা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্রে ত্রুটি, ঋণ খেলাপী ও ভোটার তালিকায় সঠিক তথ্য না থাকায় মানিকগঞ্জ-১ আসনে (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু কাগজপত্রে ত্রুটি ও এক শতাংশ ভোটার তালিকায় তথ্য সঠিক না থাকায় জনতা দলের প্রার্থী মো. শাহজাহান খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আব্দুল আলী বেপারী এবং মানিকগঞ্জ-২ আসনে সাবেক এমপি জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এসএম আব্দুল মান্নান এবং এক শতাংশ ভোটার তালিকায় তথ্য সঠিক না বিএনপি (স্বতন্ত্র) সিংগাইর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবিদুর রহমান নোমান, বিএনপি (স্বতন্ত্র) জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো.আব্দুল হক মোল্লা ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু কাগজপত্র ও ভোটার তালিকায় ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান আতা, (স্বতন্ত্র) প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, এবি পার্টির মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা মো. ফারুক হোসেনের (স্বতন্ত্র) প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
অপরদিকে ঋণ খেলাপী, সঠিক কাগজপত্র ও আইনগত ঝামেলা না থাকায় মানিকগঞ্জ-১ আসনে (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) বিএনপির মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস.এ জিন্নাহ কবির, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী মনোনীত আবু বক্কর সিদ্দিক, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন, জেলা কৃষকদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেলন হক তোজা স্বতন্ত্র (বিএনপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত মো. হেদায়েতুল্লাহ, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মনোনীত দিলীপ কুমার দাশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মো. খোরশেদ আলম এবং মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর) বিএনপি মনোনীত মাঈনুল ইসলাম খান শান্ত, খেলাফত মজলিস (জামায়াত জোট) মনোনীত মো. সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোহাম্মদ আলী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির আহবায়ক আফরোজা খানম রিতা, গণফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এমপি মফিজুল ইসলাম খান কামাল (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহা. দেলওয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ জাসদ মনোনীত মো. শাহজাহান আলী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত মুহাম্মদ সাঈদ নূর, জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, জাতীয় পার্টির মনোনীত আবুল বাশার বাদশা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী সামসুদ্দিনের প্রার্থীতা বৈধতা ঘোষণা করা হয়েছে।




