অভিযোগ ডাকসু ভিপির
ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত

ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত
ঢাবি প্রতিনিধি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি পায়রা চত্বরে আয়োজিত শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে সাদিক কায়েম এ অভিযোগ করেন। তিনি ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি আল্লাহর রাস্তায় জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, শহীদরা মৃত নন, তারা আল্লাহর কাছে জীবিত এবং রিজিকপ্রাপ্ত।
ওসমান বিন হাদির কাজের প্রশংসা করে সাদিক কায়েম বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি শুধু বক্তৃতা ও বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তিনি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন লড়াইটা কার বিরুদ্ধে। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে ইনকিলাব সেন্টার থেকে শুরু করে দেশব্যাপী মানুষের অব্যক্ত কথাগুলো তিনি সাহসের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। ‘
ডাকসুর ভিপি অভিযোগ করে বলেন, ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত এবং তাদের বিচার এই স্বাধীন বাংলাদেশেই নিশ্চিত করা হবে।
সাদিক কায়েম বলেন, ‘ওসমান হাদির লড়াই ছিল একটি সাংস্কৃতিক লড়াই। রাজনৈতিক আজাদি অর্জিত হলেও সাংস্কৃতিক আজাদি এখনো অর্জিত হয়নি। মিডিয়ায় এখনও এমন চক্র সক্রিয় রয়েছে যারা জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের হত্যাযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে এবং খুনি হাসিনাসহ আধিপত্যবাদী শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।’
ইনকিলাব মঞ্চের ঢাবি শাখার মুখপাত্র ও ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক তাসনিম জুমা বলেন, ‘সবাই শহীদ ওসমান হাদির সিলসিলা (কাজের ধারা) জারি রাখার কথা বলে। এই সিলসিলা জারি রাখার পূর্বশর্ত হলো তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা।শহীদ ওসমান হাদির জীবনের মাধ্যমে তিনি অনেককে বাঁচিয়ে দিয়ে গেছেন। তার কারণে অনেকের জীবন নিরাপদ আছে। যাদের জীবন নিরাপদ আছে তাদের বিভিন্ন জায়গা কথা বলতে দেখি, তার নাম নিয়ে ভোট চাইতে দেখি। কিন্তু তার বিচারের কথা বলতে দেখি না।’ এ সময় জুমা শরিফ ওসমান হাদির হত্যার দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি পায়রা চত্বরে আয়োজিত শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে সাদিক কায়েম এ অভিযোগ করেন। তিনি ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি আল্লাহর রাস্তায় জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, শহীদরা মৃত নন, তারা আল্লাহর কাছে জীবিত এবং রিজিকপ্রাপ্ত।
ওসমান বিন হাদির কাজের প্রশংসা করে সাদিক কায়েম বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি শুধু বক্তৃতা ও বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তিনি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন লড়াইটা কার বিরুদ্ধে। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে ইনকিলাব সেন্টার থেকে শুরু করে দেশব্যাপী মানুষের অব্যক্ত কথাগুলো তিনি সাহসের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। ‘
ডাকসুর ভিপি অভিযোগ করে বলেন, ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত এবং তাদের বিচার এই স্বাধীন বাংলাদেশেই নিশ্চিত করা হবে।
সাদিক কায়েম বলেন, ‘ওসমান হাদির লড়াই ছিল একটি সাংস্কৃতিক লড়াই। রাজনৈতিক আজাদি অর্জিত হলেও সাংস্কৃতিক আজাদি এখনো অর্জিত হয়নি। মিডিয়ায় এখনও এমন চক্র সক্রিয় রয়েছে যারা জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের হত্যাযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে এবং খুনি হাসিনাসহ আধিপত্যবাদী শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।’
ইনকিলাব মঞ্চের ঢাবি শাখার মুখপাত্র ও ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক তাসনিম জুমা বলেন, ‘সবাই শহীদ ওসমান হাদির সিলসিলা (কাজের ধারা) জারি রাখার কথা বলে। এই সিলসিলা জারি রাখার পূর্বশর্ত হলো তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা।শহীদ ওসমান হাদির জীবনের মাধ্যমে তিনি অনেককে বাঁচিয়ে দিয়ে গেছেন। তার কারণে অনেকের জীবন নিরাপদ আছে। যাদের জীবন নিরাপদ আছে তাদের বিভিন্ন জায়গা কথা বলতে দেখি, তার নাম নিয়ে ভোট চাইতে দেখি। কিন্তু তার বিচারের কথা বলতে দেখি না।’ এ সময় জুমা শরিফ ওসমান হাদির হত্যার দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত
ঢাবি প্রতিনিধি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি পায়রা চত্বরে আয়োজিত শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে সাদিক কায়েম এ অভিযোগ করেন। তিনি ওই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি আল্লাহর রাস্তায় জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, শহীদরা মৃত নন, তারা আল্লাহর কাছে জীবিত এবং রিজিকপ্রাপ্ত।
ওসমান বিন হাদির কাজের প্রশংসা করে সাদিক কায়েম বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি শুধু বক্তৃতা ও বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তিনি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন লড়াইটা কার বিরুদ্ধে। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে ইনকিলাব সেন্টার থেকে শুরু করে দেশব্যাপী মানুষের অব্যক্ত কথাগুলো তিনি সাহসের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। ‘
ডাকসুর ভিপি অভিযোগ করে বলেন, ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে রাষ্ট্রের একটি অংশ জড়িত এবং তাদের বিচার এই স্বাধীন বাংলাদেশেই নিশ্চিত করা হবে।
সাদিক কায়েম বলেন, ‘ওসমান হাদির লড়াই ছিল একটি সাংস্কৃতিক লড়াই। রাজনৈতিক আজাদি অর্জিত হলেও সাংস্কৃতিক আজাদি এখনো অর্জিত হয়নি। মিডিয়ায় এখনও এমন চক্র সক্রিয় রয়েছে যারা জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের হত্যাযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে এবং খুনি হাসিনাসহ আধিপত্যবাদী শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে।’
ইনকিলাব মঞ্চের ঢাবি শাখার মুখপাত্র ও ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক তাসনিম জুমা বলেন, ‘সবাই শহীদ ওসমান হাদির সিলসিলা (কাজের ধারা) জারি রাখার কথা বলে। এই সিলসিলা জারি রাখার পূর্বশর্ত হলো তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা।শহীদ ওসমান হাদির জীবনের মাধ্যমে তিনি অনেককে বাঁচিয়ে দিয়ে গেছেন। তার কারণে অনেকের জীবন নিরাপদ আছে। যাদের জীবন নিরাপদ আছে তাদের বিভিন্ন জায়গা কথা বলতে দেখি, তার নাম নিয়ে ভোট চাইতে দেখি। কিন্তু তার বিচারের কথা বলতে দেখি না।’ এ সময় জুমা শরিফ ওসমান হাদির হত্যার দ্রুত বিচারের দাবি জানান।




