ফরিদপুর সরকারি হাসপাতালে নেই জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন, ভোগান্তিতে রোগীরা

ফরিদপুর সরকারি হাসপাতালে নেই জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন, ভোগান্তিতে রোগীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক,-ফরিদপুর

ফরিদপুরে জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। প্রতিদিন এখানে গড়ে ১২০ থেকে ১৮০ রোগী জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে আসেন। সেই হিসাবে গত এক মাসে প্রায় সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার রোগী ভ্যাকসিনের জন্য হাসপাতালের বহির্বিভাগে এসেছেন। প্রাণঘাতী এই রোগের চিকিৎসা না পেয়ে তারা ফিরে যাচ্ছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, কুকুর-বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় শত শত রোগী। হাসপাতালে সরবরাহ না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা ছুটছেন ফার্মেসি ও প্রাইভেট ক্লিনিকে। ফার্মেসিগুলোতেও একই পরিস্থিতি, সেখানেও মিলছে না ভ্যাকসিন। কোথাও হয়তো মিলছে, তবে চড়া দামে। সামর্থ্য না থাকায় অনেকে চিকিৎসা নিতে পারছেন না।
এদিকে, ভ্যাকসিন কক্ষের সামনে নোটিশ টাঙিয়ে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে লেখা– ‘এন্টির্যাবিস ভ্যাকসিন সাময়িক সাপ্লাই না থাকার জন্য আমরা দুঃখিত।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৫ সালে জেলায় ১৬ হাজার ২১৭ জন কুকুর-বিড়াল ও অন্যান্য পশুর কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন । এর মধ্যে শুধু কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮৬ জন।

ফরিদপুর সদরের চরমাধবদিয়া এলাকার ভুক্তভোগী সাহেদা বেগম বলেন, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এলে জানানো হয়, জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নেই। বাইরে থেকে কিনে আনতে হবে। শহরের একাধিক ফার্মেসিতে ঘুরেও ভ্যাকসিন পাওয়া যায়নি।
শহরের আলীপুরের মফিজুর রহমান নামের এক রোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কার দোষ দিব জানি না। হাসপাতালে এসে ঘুরছি কিন্তু চিকিৎসা পাচ্ছি না। ভাবছি ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেবো। এছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।
সালথা থেকে আসা সোহেল মিয়া বলেন, আমার পক্ষে এই চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পেলে ভালো হতো। ভ্যাকসিন সংকটের জন্য কারা দায়ী তা জানতে ইচ্ছা করে।
একজন ফার্মেসি মালিক সুমন সাহা সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, প্রতিদিনই বহু মানুষ এই ভ্যাকসিনের জন্য দোকানে আসছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় কাউকেই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সাধারণত একজন রোগীর বয়স এবং ক্ষতের ওপর নির্ভর করে র্যাবিস ও র্যাবিসআইজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। র্যাবিস ভ্যাকসিন বাজারে সরবরাহ করে ইনসেপ্টা ও পপুলার। র্যাবিসের প্রতি ডোজের দাম ৫শ টাকা। র্যাবিসআইজির দাম ১ হাজার টাকা। দুটোরই তিনটি ডোজের প্রয়োজন হয়।
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. গণেশ কুমার আগরওয়ালা জানান, দেশব্যাপী র্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট চলছে। সরকারি ও বেসরকারি কোথাও পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ভ্যাকসিন না থাকায় সমস্যা হচ্ছে। আমাদের চাহিদা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে।

ফরিদপুরে জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। প্রতিদিন এখানে গড়ে ১২০ থেকে ১৮০ রোগী জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে আসেন। সেই হিসাবে গত এক মাসে প্রায় সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার রোগী ভ্যাকসিনের জন্য হাসপাতালের বহির্বিভাগে এসেছেন। প্রাণঘাতী এই রোগের চিকিৎসা না পেয়ে তারা ফিরে যাচ্ছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, কুকুর-বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় শত শত রোগী। হাসপাতালে সরবরাহ না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা ছুটছেন ফার্মেসি ও প্রাইভেট ক্লিনিকে। ফার্মেসিগুলোতেও একই পরিস্থিতি, সেখানেও মিলছে না ভ্যাকসিন। কোথাও হয়তো মিলছে, তবে চড়া দামে। সামর্থ্য না থাকায় অনেকে চিকিৎসা নিতে পারছেন না।
এদিকে, ভ্যাকসিন কক্ষের সামনে নোটিশ টাঙিয়ে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে লেখা– ‘এন্টির্যাবিস ভ্যাকসিন সাময়িক সাপ্লাই না থাকার জন্য আমরা দুঃখিত।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৫ সালে জেলায় ১৬ হাজার ২১৭ জন কুকুর-বিড়াল ও অন্যান্য পশুর কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন । এর মধ্যে শুধু কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮৬ জন।

ফরিদপুর সদরের চরমাধবদিয়া এলাকার ভুক্তভোগী সাহেদা বেগম বলেন, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এলে জানানো হয়, জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নেই। বাইরে থেকে কিনে আনতে হবে। শহরের একাধিক ফার্মেসিতে ঘুরেও ভ্যাকসিন পাওয়া যায়নি।
শহরের আলীপুরের মফিজুর রহমান নামের এক রোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কার দোষ দিব জানি না। হাসপাতালে এসে ঘুরছি কিন্তু চিকিৎসা পাচ্ছি না। ভাবছি ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেবো। এছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।
সালথা থেকে আসা সোহেল মিয়া বলেন, আমার পক্ষে এই চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পেলে ভালো হতো। ভ্যাকসিন সংকটের জন্য কারা দায়ী তা জানতে ইচ্ছা করে।
একজন ফার্মেসি মালিক সুমন সাহা সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, প্রতিদিনই বহু মানুষ এই ভ্যাকসিনের জন্য দোকানে আসছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় কাউকেই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সাধারণত একজন রোগীর বয়স এবং ক্ষতের ওপর নির্ভর করে র্যাবিস ও র্যাবিসআইজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। র্যাবিস ভ্যাকসিন বাজারে সরবরাহ করে ইনসেপ্টা ও পপুলার। র্যাবিসের প্রতি ডোজের দাম ৫শ টাকা। র্যাবিসআইজির দাম ১ হাজার টাকা। দুটোরই তিনটি ডোজের প্রয়োজন হয়।
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. গণেশ কুমার আগরওয়ালা জানান, দেশব্যাপী র্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট চলছে। সরকারি ও বেসরকারি কোথাও পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ভ্যাকসিন না থাকায় সমস্যা হচ্ছে। আমাদের চাহিদা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে।

ফরিদপুর সরকারি হাসপাতালে নেই জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন, ভোগান্তিতে রোগীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক,-ফরিদপুর

ফরিদপুরে জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। প্রতিদিন এখানে গড়ে ১২০ থেকে ১৮০ রোগী জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিতে আসেন। সেই হিসাবে গত এক মাসে প্রায় সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার রোগী ভ্যাকসিনের জন্য হাসপাতালের বহির্বিভাগে এসেছেন। প্রাণঘাতী এই রোগের চিকিৎসা না পেয়ে তারা ফিরে যাচ্ছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, কুকুর-বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় শত শত রোগী। হাসপাতালে সরবরাহ না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা ছুটছেন ফার্মেসি ও প্রাইভেট ক্লিনিকে। ফার্মেসিগুলোতেও একই পরিস্থিতি, সেখানেও মিলছে না ভ্যাকসিন। কোথাও হয়তো মিলছে, তবে চড়া দামে। সামর্থ্য না থাকায় অনেকে চিকিৎসা নিতে পারছেন না।
এদিকে, ভ্যাকসিন কক্ষের সামনে নোটিশ টাঙিয়ে রেখেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে লেখা– ‘এন্টির্যাবিস ভ্যাকসিন সাময়িক সাপ্লাই না থাকার জন্য আমরা দুঃখিত।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৫ সালে জেলায় ১৬ হাজার ২১৭ জন কুকুর-বিড়াল ও অন্যান্য পশুর কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন । এর মধ্যে শুধু কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮৬ জন।

ফরিদপুর সদরের চরমাধবদিয়া এলাকার ভুক্তভোগী সাহেদা বেগম বলেন, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এলে জানানো হয়, জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নেই। বাইরে থেকে কিনে আনতে হবে। শহরের একাধিক ফার্মেসিতে ঘুরেও ভ্যাকসিন পাওয়া যায়নি।
শহরের আলীপুরের মফিজুর রহমান নামের এক রোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কার দোষ দিব জানি না। হাসপাতালে এসে ঘুরছি কিন্তু চিকিৎসা পাচ্ছি না। ভাবছি ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেবো। এছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।
সালথা থেকে আসা সোহেল মিয়া বলেন, আমার পক্ষে এই চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পেলে ভালো হতো। ভ্যাকসিন সংকটের জন্য কারা দায়ী তা জানতে ইচ্ছা করে।
একজন ফার্মেসি মালিক সুমন সাহা সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, প্রতিদিনই বহু মানুষ এই ভ্যাকসিনের জন্য দোকানে আসছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় কাউকেই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সাধারণত একজন রোগীর বয়স এবং ক্ষতের ওপর নির্ভর করে র্যাবিস ও র্যাবিসআইজি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। র্যাবিস ভ্যাকসিন বাজারে সরবরাহ করে ইনসেপ্টা ও পপুলার। র্যাবিসের প্রতি ডোজের দাম ৫শ টাকা। র্যাবিসআইজির দাম ১ হাজার টাকা। দুটোরই তিনটি ডোজের প্রয়োজন হয়।
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. গণেশ কুমার আগরওয়ালা জানান, দেশব্যাপী র্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট চলছে। সরকারি ও বেসরকারি কোথাও পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ভ্যাকসিন না থাকায় সমস্যা হচ্ছে। আমাদের চাহিদা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুত ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে।




