শরীয়তপুরে ছাত্রদল-এনসিপির সংঘর্ষ, আহত ১০

শরীয়তপুরে ছাত্রদল-এনসিপির সংঘর্ষ, আহত ১০
সিটিজেন-ডেস্ক

শরীয়তপুর জেলা ছাত্রদল ও এনসিপির নেতা কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহতরা হলেন- জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসাহাক সরদার, সদস্য শফিকুর রহমান সাগর, আবিদ খান, কর্মী আরমান দরজি, নীরব তালুকদার, রাকিব তালুকদার, হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ, তুলাসার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মেহেদি হাসান নাঈম ব্যাপারী ও বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আলী এবং জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন জেলা ছাত্রদলের কর্মী হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ। এসময় হাদির হত্যার বিচার দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে যাচ্ছিলেন জেলা এনসিপির নেতাকর্মীরা। এসময় মোটরসাইকেল সাইড নেওয়া নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলকারীদের সঙ্গে আকাশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আকাশকে মারধর করা হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এসময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ১০ জন আহত হন।
জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল তালুকদার বলেন, এনসিপির মিছিলে কারা ঢুকেছে জানি না। তারা হামলা চালালে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়।
জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদার বলেন, আমাদের মিছিলে একটি ছেলে ঢুকে গিয়ে নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। কিছুক্ষণ পর জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে এনসিপি ও ছাত্রদলের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। আমরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

শরীয়তপুর জেলা ছাত্রদল ও এনসিপির নেতা কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহতরা হলেন- জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসাহাক সরদার, সদস্য শফিকুর রহমান সাগর, আবিদ খান, কর্মী আরমান দরজি, নীরব তালুকদার, রাকিব তালুকদার, হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ, তুলাসার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মেহেদি হাসান নাঈম ব্যাপারী ও বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আলী এবং জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন জেলা ছাত্রদলের কর্মী হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ। এসময় হাদির হত্যার বিচার দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে যাচ্ছিলেন জেলা এনসিপির নেতাকর্মীরা। এসময় মোটরসাইকেল সাইড নেওয়া নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলকারীদের সঙ্গে আকাশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আকাশকে মারধর করা হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এসময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ১০ জন আহত হন।
জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল তালুকদার বলেন, এনসিপির মিছিলে কারা ঢুকেছে জানি না। তারা হামলা চালালে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়।
জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদার বলেন, আমাদের মিছিলে একটি ছেলে ঢুকে গিয়ে নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। কিছুক্ষণ পর জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে এনসিপি ও ছাত্রদলের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। আমরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

শরীয়তপুরে ছাত্রদল-এনসিপির সংঘর্ষ, আহত ১০
সিটিজেন-ডেস্ক

শরীয়তপুর জেলা ছাত্রদল ও এনসিপির নেতা কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহতরা হলেন- জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইসাহাক সরদার, সদস্য শফিকুর রহমান সাগর, আবিদ খান, কর্মী আরমান দরজি, নীরব তালুকদার, রাকিব তালুকদার, হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ, তুলাসার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মেহেদি হাসান নাঈম ব্যাপারী ও বিএনপির কর্মী মোহাম্মদ আলী এবং জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন জেলা ছাত্রদলের কর্মী হাওলাদার মোহাম্মদ আকাশ। এসময় হাদির হত্যার বিচার দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে যাচ্ছিলেন জেলা এনসিপির নেতাকর্মীরা। এসময় মোটরসাইকেল সাইড নেওয়া নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলকারীদের সঙ্গে আকাশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আকাশকে মারধর করা হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এসময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ১০ জন আহত হন।
জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল তালুকদার বলেন, এনসিপির মিছিলে কারা ঢুকেছে জানি না। তারা হামলা চালালে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়।
জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদার বলেন, আমাদের মিছিলে একটি ছেলে ঢুকে গিয়ে নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। কিছুক্ষণ পর জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে এনসিপি ও ছাত্রদলের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। আমরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।




