কার্যকর হয়নি ঢাবির ‘আমাদের লাল বাস’ অ্যাপ

কার্যকর হয়নি ঢাবির ‘আমাদের লাল বাস’ অ্যাপ
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা ‘লাল বাস’। দীর্ঘদিন ধরে বাসসংকট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় এই সেবা শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে উঠেছে কষ্টকর। যাতায়াত সহজ করতে গত ২০ অক্টোবর ডাকসুর উদ্যোগে চালু হয় ‘আমাদের লাল বাস’ লাইভ ট্র্যাকিং অ্যাপ। এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে অ্যাপটির কার্যকারিতা যাচাই করা হয় বলে জানানো হয়েছিল।
প্রথম ধাপে বাস কমিটির সদস্যরা প্রাথমিক ট্রায়াল পরিচালনা করেন। দ্বিতীয় ধাপে সীমিতসংখ্যক শিক্ষার্থী ট্রায়ালে অংশ নেন। তৃতীয় ধাপে বাস চালকদের জন্য দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও সরাসরি ট্রায়ালের আয়োজন করা হয়। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। তবে চালুর দুই মাস পেরোলেও অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বাস্তবে অ্যাপটির কার্যকারিতা খুবই সীমিত। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক রুটে ঈশা খাঁ বাসে যাতায়াত করা শিক্ষার্থী সামিয়া আফরিন মিলি বলেন, অধিকাংশ বাসচালক অ্যাপটি ব্যবহারই করছেন না। অনেকের কাছে স্মার্টফোন নেই, আবার ডাটা খরচের কারণে যাদের আছে, তারাও অ্যাপ চালাতে অনাগ্রহী। ফলে বাস্তবে কোনো বাসই অ্যাপের মাধ্যমে ট্র্যাক করা যায়নি।
বাড্ডাগামী 'বসন্ত' বাসের শিক্ষার্থী নাফিস ইকবাল জানান, সব বাসকে এই সেবার আওতায় আনা হয়নি। প্রতি রুটে মাত্র কয়েকটি ট্রিপে অ্যাপটি ব্যবহার করা হচ্ছে, এতে ট্র্যাকিং কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।শিক্ষার্থীদের মতে, যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ করার উদ্দেশ্যে অ্যাপটি চালু হলেও বাস্তব প্রয়োগের ঘাটতিতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা ‘লাল বাস’। দীর্ঘদিন ধরে বাসসংকট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় এই সেবা শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে উঠেছে কষ্টকর। যাতায়াত সহজ করতে গত ২০ অক্টোবর ডাকসুর উদ্যোগে চালু হয় ‘আমাদের লাল বাস’ লাইভ ট্র্যাকিং অ্যাপ। এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে অ্যাপটির কার্যকারিতা যাচাই করা হয় বলে জানানো হয়েছিল।
প্রথম ধাপে বাস কমিটির সদস্যরা প্রাথমিক ট্রায়াল পরিচালনা করেন। দ্বিতীয় ধাপে সীমিতসংখ্যক শিক্ষার্থী ট্রায়ালে অংশ নেন। তৃতীয় ধাপে বাস চালকদের জন্য দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও সরাসরি ট্রায়ালের আয়োজন করা হয়। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। তবে চালুর দুই মাস পেরোলেও অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বাস্তবে অ্যাপটির কার্যকারিতা খুবই সীমিত। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক রুটে ঈশা খাঁ বাসে যাতায়াত করা শিক্ষার্থী সামিয়া আফরিন মিলি বলেন, অধিকাংশ বাসচালক অ্যাপটি ব্যবহারই করছেন না। অনেকের কাছে স্মার্টফোন নেই, আবার ডাটা খরচের কারণে যাদের আছে, তারাও অ্যাপ চালাতে অনাগ্রহী। ফলে বাস্তবে কোনো বাসই অ্যাপের মাধ্যমে ট্র্যাক করা যায়নি।
বাড্ডাগামী 'বসন্ত' বাসের শিক্ষার্থী নাফিস ইকবাল জানান, সব বাসকে এই সেবার আওতায় আনা হয়নি। প্রতি রুটে মাত্র কয়েকটি ট্রিপে অ্যাপটি ব্যবহার করা হচ্ছে, এতে ট্র্যাকিং কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।শিক্ষার্থীদের মতে, যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ করার উদ্দেশ্যে অ্যাপটি চালু হলেও বাস্তব প্রয়োগের ঘাটতিতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।

কার্যকর হয়নি ঢাবির ‘আমাদের লাল বাস’ অ্যাপ
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা ‘লাল বাস’। দীর্ঘদিন ধরে বাসসংকট ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় এই সেবা শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে উঠেছে কষ্টকর। যাতায়াত সহজ করতে গত ২০ অক্টোবর ডাকসুর উদ্যোগে চালু হয় ‘আমাদের লাল বাস’ লাইভ ট্র্যাকিং অ্যাপ। এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে অ্যাপটির কার্যকারিতা যাচাই করা হয় বলে জানানো হয়েছিল।
প্রথম ধাপে বাস কমিটির সদস্যরা প্রাথমিক ট্রায়াল পরিচালনা করেন। দ্বিতীয় ধাপে সীমিতসংখ্যক শিক্ষার্থী ট্রায়ালে অংশ নেন। তৃতীয় ধাপে বাস চালকদের জন্য দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও সরাসরি ট্রায়ালের আয়োজন করা হয়। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। তবে চালুর দুই মাস পেরোলেও অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বাস্তবে অ্যাপটির কার্যকারিতা খুবই সীমিত। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক রুটে ঈশা খাঁ বাসে যাতায়াত করা শিক্ষার্থী সামিয়া আফরিন মিলি বলেন, অধিকাংশ বাসচালক অ্যাপটি ব্যবহারই করছেন না। অনেকের কাছে স্মার্টফোন নেই, আবার ডাটা খরচের কারণে যাদের আছে, তারাও অ্যাপ চালাতে অনাগ্রহী। ফলে বাস্তবে কোনো বাসই অ্যাপের মাধ্যমে ট্র্যাক করা যায়নি।
বাড্ডাগামী 'বসন্ত' বাসের শিক্ষার্থী নাফিস ইকবাল জানান, সব বাসকে এই সেবার আওতায় আনা হয়নি। প্রতি রুটে মাত্র কয়েকটি ট্রিপে অ্যাপটি ব্যবহার করা হচ্ছে, এতে ট্র্যাকিং কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।শিক্ষার্থীদের মতে, যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজ করার উদ্দেশ্যে অ্যাপটি চালু হলেও বাস্তব প্রয়োগের ঘাটতিতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।




