ঢাবির পাঁচ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত

ঢাবির পাঁচ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ পরিবারের নামানুসারে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগপন্থি চারজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ সিন্ডিকেটের সভায় এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী বহিষ্কার কার্যকর করা হবে না-সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
যাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তারা হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এবং অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান।
এদিকে, সিন্ডিকেট সভায় শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা মোট পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে দুটি আবাসিক হল, একটি হোস্টেল এবং দুটি স্টাফ কোয়ার্টার। পরিবর্তনের আওতায় থাকা স্থাপনাগুলো হলো-শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার ও সুলতানা কামাল হোস্টেল।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে দুটি হলের নতুন নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নতুন নাম ‘ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ রাখার কথা বলা হয়েছে।
সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ঢাবি প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের শোকজ নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে না-সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।’ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় এটি অনুমোদন পেলেও সিনেট পুনর্গঠন সম্পন্ন হওয়ার পরই সিদ্ধান্তটি স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ পরিবারের নামানুসারে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগপন্থি চারজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ সিন্ডিকেটের সভায় এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী বহিষ্কার কার্যকর করা হবে না-সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
যাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তারা হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এবং অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান।
এদিকে, সিন্ডিকেট সভায় শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা মোট পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে দুটি আবাসিক হল, একটি হোস্টেল এবং দুটি স্টাফ কোয়ার্টার। পরিবর্তনের আওতায় থাকা স্থাপনাগুলো হলো-শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার ও সুলতানা কামাল হোস্টেল।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে দুটি হলের নতুন নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নতুন নাম ‘ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ রাখার কথা বলা হয়েছে।
সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ঢাবি প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের শোকজ নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে না-সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।’ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় এটি অনুমোদন পেলেও সিনেট পুনর্গঠন সম্পন্ন হওয়ার পরই সিদ্ধান্তটি স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’

ঢাবির পাঁচ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ পরিবারের নামানুসারে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগপন্থি চারজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ সিন্ডিকেটের সভায় এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী বহিষ্কার কার্যকর করা হবে না-সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
যাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তারা হলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এবং অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান।
এদিকে, সিন্ডিকেট সভায় শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা মোট পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে দুটি আবাসিক হল, একটি হোস্টেল এবং দুটি স্টাফ কোয়ার্টার। পরিবর্তনের আওতায় থাকা স্থাপনাগুলো হলো-শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার ও সুলতানা কামাল হোস্টেল।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে দুটি হলের নতুন নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নতুন নাম ‘ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ রাখার কথা বলা হয়েছে।
সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ঢাবি প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের শোকজ নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে না-সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।’ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় এটি অনুমোদন পেলেও সিনেট পুনর্গঠন সম্পন্ন হওয়ার পরই সিদ্ধান্তটি স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’




