শিরোনাম

যুদ্ধবিমান ও ড্রোন কিনতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করছে ইন্দোনেশিয়া

সিটিজেন-ডেস্ক­
যুদ্ধবিমান ও ড্রোন কিনতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করছে ইন্দোনেশিয়া
পাকিস্তান ও চীনের তৈরি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। ফাইল ছবি (রয়টার্স)

সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশ। এবার এই তালিকায় যুক্ত হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে ইসলামাবাদে বৈঠক করেছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী উভয়ই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী শাফরি শামসোউদ্দিন এবং পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধু বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, যার আওতায় জাকার্তাকে যুদ্ধবিমান ও আক্রমণাত্মক ড্রোন সরবরাহ করতে পারে পাকিস্তান।

শাহপার ড্রোন। ছবি: সংগৃহীত
শাহপার ড্রোন। ছবি: সংগৃহীত

একটি সূত্র জানায়, আলোচনার মূল বিষয় জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। এটি পাকিস্তান ও চীনের যৌথভাবে উন্নত একটি বহু-ভূমিকা সম্পন্ন যুদ্ধবিমান। পাশাপাশি নজরদারি ও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ড্রোন সরবরাহের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

অন্য সূত্র জানিয়েছে, আলোচনা অনেকটাই অগ্রগতিতে রয়েছে এবং এতে ৪০টির বেশি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তাদের এক কর্মকর্তা জানান, ইন্দোনেশিয়া পাকিস্তানের শাহপার ড্রোনেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় সরবরাহের সময়সূচি বা চুক্তি কত বছরের জন্য হবে—এ বিষয়টি সূত্রগুলো প্রকাশ করেনি।

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রিকো রিকার্দো সিরাইত জানান, বৈঠকে দুই দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগত সংলাপ, প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার করা এবং দীর্ঘমেয়াদে পারস্পরিক লাভজনক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। তবে এসব আলোচনা এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। ওই আলোচনায় পারস্পরিক স্বার্থ, পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের সম্ভাব্য পথ নিয়ে কথা বলা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

/জেএইচ/