ইরানে হস্তক্ষেপ করলে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি

ইরানে হস্তক্ষেপ করলে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি
সিটিজেন-ডেস্ক

সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুমকির জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র নাক গলালে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে।
তিনি জানান, তেহরান ইতিমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক দেশগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে।
সম্প্রতি ইরানে চলমান বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানি বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে এবং তাদের জন্য ‘সহায়তা আসছে’। তবে কী ধরনের সহায়তা, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই ইরানের পক্ষ থেকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা রয়েছে। কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সদরদপ্তর এবং বাহরাইনে রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর।
তিন কূটনীতিক জানান, এই উত্তেজনার মধ্যে কিছু মার্কিন সেনা কর্মকর্তাকে তাদের মূল ঘাঁটি থেকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ব্যাপক পরিসরে সেনা প্রত্যাহারের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বুধবার সন্ধ্যায় কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটি থেকেও কিছু মার্কিন সেনা কর্মকর্তাকে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দোহায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইরানের হুঁশিয়ারি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুমকির জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র নাক গলালে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে।
তিনি জানান, তেহরান ইতিমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক দেশগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে।
সম্প্রতি ইরানে চলমান বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানি বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে এবং তাদের জন্য ‘সহায়তা আসছে’। তবে কী ধরনের সহায়তা, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই ইরানের পক্ষ থেকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা রয়েছে। কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সদরদপ্তর এবং বাহরাইনে রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর।
তিন কূটনীতিক জানান, এই উত্তেজনার মধ্যে কিছু মার্কিন সেনা কর্মকর্তাকে তাদের মূল ঘাঁটি থেকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ব্যাপক পরিসরে সেনা প্রত্যাহারের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বুধবার সন্ধ্যায় কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটি থেকেও কিছু মার্কিন সেনা কর্মকর্তাকে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দোহায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইরানের হুঁশিয়ারি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

ইরানে হস্তক্ষেপ করলে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারি
সিটিজেন-ডেস্ক

সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুমকির জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র নাক গলালে মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব ঘাঁটিতে আঘাত হানা হবে।
তিনি জানান, তেহরান ইতিমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কসহ আঞ্চলিক দেশগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে হামলা থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে।
সম্প্রতি ইরানে চলমান বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানি বিক্ষোভকারীদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে এবং তাদের জন্য ‘সহায়তা আসছে’। তবে কী ধরনের সহায়তা, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।
ট্রাম্পের এসব বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই ইরানের পক্ষ থেকে এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা রয়েছে। কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের সদরদপ্তর এবং বাহরাইনে রয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর।
তিন কূটনীতিক জানান, এই উত্তেজনার মধ্যে কিছু মার্কিন সেনা কর্মকর্তাকে তাদের মূল ঘাঁটি থেকে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো ব্যাপক পরিসরে সেনা প্রত্যাহারের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বুধবার সন্ধ্যায় কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটি থেকেও কিছু মার্কিন সেনা কর্মকর্তাকে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দোহায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইরানের হুঁশিয়ারি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।




