তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল

তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
রাজধানীর সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা ও মান্ডা থানা নিয়ে ঢাকা-৯ আসন গঠিত। এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী জাবেদ রাসিন এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তাসনিম জারা সম্প্রতি ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দলের অবস্থানের বিরোধিতার কারণে তার এই পদত্যাগ। পরে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেরিয়ে তাসনিম জারা বলেন, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা ১ শতাংশ ভোটারের তালিকা থেকে দৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। যাচাইকৃতদের মধ্যে ৮ জনই স্বাক্ষরের বিষয়টি বলেছে। একজনকে ফোনে পাওয়া যায়নি, আরেকজন বলেছেন তিনি এই এলাকার ভোটার নন। তিনি বলেন, আমার আপিল করার সুযোগ আছে, আমি আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এনসিপি থেকে পদত্যাগ করার জন্য আমার জনপ্রিয়তা কোনো অংশে কমেনি। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী, আমি নির্বাচনে অংশ নিলে জয়লাভ করব।
ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মোট ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৩০০ জনের স্বাক্ষর প্রয়োজন ছিল। সেটা ঠিকই ছিল। বরং কিছু বেশি ভোটারের স্বাক্ষর ছিল। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবক ও সমর্থক হিসেবে নাম দেওয়া ১০ জনের মধ্যে ৮ জন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। বাকি ২ জন ওই আসনের ভোটার না হওয়ায় নির্বাচনবিধি অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে তার (তাসনিম জারা) আপিলের সুযোগ আছে।
নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। গত অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা। হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার কোনো মামলা, ঋণ, দায় বা সরকারি পাওনা নেই।
তার নামে কোনো বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি বা অকৃষি জমি নেই। তবে অলংকার আছে আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার। ব্যাংকে তার নামে জমা রয়েছে ১০ হাজার ১৯ টাকা, হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তার স্বামী খালেদা সাইফুল্লাহর হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড।
হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার চাকরি থেকে বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। ব্যাংকে আমানত রয়েছে ২৬৪ টাকা। দেশের বাইরে তার আয় ৩ হাজার ২০০ পাউন্ড। তার স্বামীর দেশের বাইরে আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
উল্লেখ্য, তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। তার স্বামী একজন উদ্যোক্তা ও গবেষক। তাসনিম জারার জন্ম ১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর। তর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তাকর মা আমেনা আক্তার দেওয়ান এবং বাবা ফখরুল হাসান। তিনি রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা।

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
রাজধানীর সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা ও মান্ডা থানা নিয়ে ঢাকা-৯ আসন গঠিত। এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী জাবেদ রাসিন এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তাসনিম জারা সম্প্রতি ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দলের অবস্থানের বিরোধিতার কারণে তার এই পদত্যাগ। পরে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেরিয়ে তাসনিম জারা বলেন, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা ১ শতাংশ ভোটারের তালিকা থেকে দৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। যাচাইকৃতদের মধ্যে ৮ জনই স্বাক্ষরের বিষয়টি বলেছে। একজনকে ফোনে পাওয়া যায়নি, আরেকজন বলেছেন তিনি এই এলাকার ভোটার নন। তিনি বলেন, আমার আপিল করার সুযোগ আছে, আমি আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এনসিপি থেকে পদত্যাগ করার জন্য আমার জনপ্রিয়তা কোনো অংশে কমেনি। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী, আমি নির্বাচনে অংশ নিলে জয়লাভ করব।
ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মোট ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৩০০ জনের স্বাক্ষর প্রয়োজন ছিল। সেটা ঠিকই ছিল। বরং কিছু বেশি ভোটারের স্বাক্ষর ছিল। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবক ও সমর্থক হিসেবে নাম দেওয়া ১০ জনের মধ্যে ৮ জন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। বাকি ২ জন ওই আসনের ভোটার না হওয়ায় নির্বাচনবিধি অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে তার (তাসনিম জারা) আপিলের সুযোগ আছে।
নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। গত অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা। হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার কোনো মামলা, ঋণ, দায় বা সরকারি পাওনা নেই।
তার নামে কোনো বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি বা অকৃষি জমি নেই। তবে অলংকার আছে আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার। ব্যাংকে তার নামে জমা রয়েছে ১০ হাজার ১৯ টাকা, হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তার স্বামী খালেদা সাইফুল্লাহর হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড।
হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার চাকরি থেকে বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। ব্যাংকে আমানত রয়েছে ২৬৪ টাকা। দেশের বাইরে তার আয় ৩ হাজার ২০০ পাউন্ড। তার স্বামীর দেশের বাইরে আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
উল্লেখ্য, তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। তার স্বামী একজন উদ্যোক্তা ও গবেষক। তাসনিম জারার জন্ম ১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর। তর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তাকর মা আমেনা আক্তার দেওয়ান এবং বাবা ফখরুল হাসান। তিনি রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা।

তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
রাজধানীর সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা ও মান্ডা থানা নিয়ে ঢাকা-৯ আসন গঠিত। এ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী জাবেদ রাসিন এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তাসনিম জারা সম্প্রতি ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট নিয়ে দলের অবস্থানের বিরোধিতার কারণে তার এই পদত্যাগ। পরে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেরিয়ে তাসনিম জারা বলেন, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা ১ শতাংশ ভোটারের তালিকা থেকে দৈবচয়নের মাধ্যমে ১০ জনকে যাচাই করা হয়। যাচাইকৃতদের মধ্যে ৮ জনই স্বাক্ষরের বিষয়টি বলেছে। একজনকে ফোনে পাওয়া যায়নি, আরেকজন বলেছেন তিনি এই এলাকার ভোটার নন। তিনি বলেন, আমার আপিল করার সুযোগ আছে, আমি আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এনসিপি থেকে পদত্যাগ করার জন্য আমার জনপ্রিয়তা কোনো অংশে কমেনি। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী, আমি নির্বাচনে অংশ নিলে জয়লাভ করব।
ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, মোট ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৩০০ জনের স্বাক্ষর প্রয়োজন ছিল। সেটা ঠিকই ছিল। বরং কিছু বেশি ভোটারের স্বাক্ষর ছিল। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবক ও সমর্থক হিসেবে নাম দেওয়া ১০ জনের মধ্যে ৮ জন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। বাকি ২ জন ওই আসনের ভোটার না হওয়ায় নির্বাচনবিধি অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে তার (তাসনিম জারা) আপিলের সুযোগ আছে।
নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। গত অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা। হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার কোনো মামলা, ঋণ, দায় বা সরকারি পাওনা নেই।
তার নামে কোনো বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষি বা অকৃষি জমি নেই। তবে অলংকার আছে আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার। ব্যাংকে তার নামে জমা রয়েছে ১০ হাজার ১৯ টাকা, হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তার স্বামী খালেদা সাইফুল্লাহর হাতে নগদ আছে ১৫ লাখ টাকা ও ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড।
হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার চাকরি থেকে বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। ব্যাংকে আমানত রয়েছে ২৬৪ টাকা। দেশের বাইরে তার আয় ৩ হাজার ২০০ পাউন্ড। তার স্বামীর দেশের বাইরে আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।
উল্লেখ্য, তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। তার স্বামী একজন উদ্যোক্তা ও গবেষক। তাসনিম জারার জন্ম ১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর। তর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তাকর মা আমেনা আক্তার দেওয়ান এবং বাবা ফখরুল হাসান। তিনি রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা।




