‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ অপবাদ ঘুঁচিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল

‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ অপবাদ ঘুঁচিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন মোটামুটি যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। মনোনয়নপত্র যখন বাছাই হয়, তখন কিছু সমস্যা থাকে। আমরা এ প্রক্রিয়াগুলোকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখি। যেসব বিষয়কে সমস্যা মনে করেছি, সেগুলো ইসিকে জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি আসন্ন নির্বাচনে এই কমিশন যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার নাম সবসময় স্মরণ করতে হয়। বিশেষ করে তিনি সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন এবং অর্থনীতিতে তলাবিহীন ঝুড়ি উপাধি পাওয়া দেশকে একটি সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে পরিণত করেছিলেন। তার দেখানো পথেই সামনের দিকে এগিয়ে যাই।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা এসেছে এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেছে। এখন আবার নতুন করে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতির বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য, নতুন করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য আমরা এখানে শপথ নিয়েছি। এর মাধ্যমে দেশে বিএনপি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ববাস্তবায়ন করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন মোটামুটি যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। মনোনয়নপত্র যখন বাছাই হয়, তখন কিছু সমস্যা থাকে। আমরা এ প্রক্রিয়াগুলোকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখি। যেসব বিষয়কে সমস্যা মনে করেছি, সেগুলো ইসিকে জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি আসন্ন নির্বাচনে এই কমিশন যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার নাম সবসময় স্মরণ করতে হয়। বিশেষ করে তিনি সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন এবং অর্থনীতিতে তলাবিহীন ঝুড়ি উপাধি পাওয়া দেশকে একটি সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে পরিণত করেছিলেন। তার দেখানো পথেই সামনের দিকে এগিয়ে যাই।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা এসেছে এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেছে। এখন আবার নতুন করে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতির বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য, নতুন করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য আমরা এখানে শপথ নিয়েছি। এর মাধ্যমে দেশে বিএনপি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ববাস্তবায়ন করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।

‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ অপবাদ ঘুঁচিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন মোটামুটি যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে। মনোনয়নপত্র যখন বাছাই হয়, তখন কিছু সমস্যা থাকে। আমরা এ প্রক্রিয়াগুলোকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখি। যেসব বিষয়কে সমস্যা মনে করেছি, সেগুলো ইসিকে জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি আসন্ন নির্বাচনে এই কমিশন যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার নাম সবসময় স্মরণ করতে হয়। বিশেষ করে তিনি সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন এবং অর্থনীতিতে তলাবিহীন ঝুড়ি উপাধি পাওয়া দেশকে একটি সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে পরিণত করেছিলেন। তার দেখানো পথেই সামনের দিকে এগিয়ে যাই।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা এসেছে এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেছে। এখন আবার নতুন করে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতির বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য, নতুন করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য আমরা এখানে শপথ নিয়েছি। এর মাধ্যমে দেশে বিএনপি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ববাস্তবায়ন করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।




