মাহমুদউল্লাহর ক্যামিওতে সিলেটকে হারালো রংপুর

মাহমুদউল্লাহর ক্যামিওতে সিলেটকে হারালো রংপুর
স্পোর্টস ডেস্ক

বিপিএলে আগের ম্যাচে শেষ ওভারে ৬ বলে ৭ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি রংপুর রাইডার্স।শেষ বলে মাহমুদউল্লাহ রান আউট হলে ম্যাচ টাই হয়, পরে সুপার ওভারে হারে রংপুর। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ যখন নামেন রংপুরের দরকার ছিল ৪২ বলে ৬৭ রান। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানের ক্যামিওতে রংপুর এবার ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে, ৭ বল বাকি থাকতে।
মাহমুদউল্লাহ ১৬ বলে ৩৪ রানে অপরাজি থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ১ ছক্কা। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গ দেন ১১ বলে ১৯ করা খুশদিল শাহ। পঞ্চম উইকেটে ২৪ বলে ৫০ রানের জুটিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৪৫ রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ২১ রানে প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। মালান ফেরেন ১৯ রান করে। তাওহীদ হৃদয় ১১ বলে ৬ রান করে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন অধিনায়ক লিটন দাস।
তৃতীয় উইকেটে ৩৪ রানের জুটি গড়েন লিটন ও কাইল মায়ার্স। লিটন ৪ চার ও ১ ছক্কায় ২৫ বলে ৩৫ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। এরপর মায়ার্স ২৯ বলে ৩১ রান করে আউট হন। তবে বাকি পথ পাড়ি দিয়ে দলকে জেতান মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল।
তার আগে সিলেটকে ১৪৪ রানে আটকে রেখে জয়ের ভিত গড়ে দেন মোস্তাফিজ-ফাহিমরা। সিলেটের হয়ে ৩১ বলে ৪৬ রান করেন আফিফ হোসেন। তার ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ১ ছক্কা। ইথান ব্রুকস ৩০ বলে করেন ৩২ রান। মোস্তাফিজ ২৪ রানে নেন ৩ উইকেট। ফাহিম আশরাফও ৩ উইকেট নেন ১৮ রান দিয়ে।
ম্যাচসেরা হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিপিএলে বিরতি। ৪ জানুয়ারি আছে বিপিএলের দুটি ম্যাচ।

বিপিএলে আগের ম্যাচে শেষ ওভারে ৬ বলে ৭ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি রংপুর রাইডার্স।শেষ বলে মাহমুদউল্লাহ রান আউট হলে ম্যাচ টাই হয়, পরে সুপার ওভারে হারে রংপুর। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ যখন নামেন রংপুরের দরকার ছিল ৪২ বলে ৬৭ রান। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানের ক্যামিওতে রংপুর এবার ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে, ৭ বল বাকি থাকতে।
মাহমুদউল্লাহ ১৬ বলে ৩৪ রানে অপরাজি থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ১ ছক্কা। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গ দেন ১১ বলে ১৯ করা খুশদিল শাহ। পঞ্চম উইকেটে ২৪ বলে ৫০ রানের জুটিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৪৫ রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ২১ রানে প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। মালান ফেরেন ১৯ রান করে। তাওহীদ হৃদয় ১১ বলে ৬ রান করে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন অধিনায়ক লিটন দাস।
তৃতীয় উইকেটে ৩৪ রানের জুটি গড়েন লিটন ও কাইল মায়ার্স। লিটন ৪ চার ও ১ ছক্কায় ২৫ বলে ৩৫ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। এরপর মায়ার্স ২৯ বলে ৩১ রান করে আউট হন। তবে বাকি পথ পাড়ি দিয়ে দলকে জেতান মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল।
তার আগে সিলেটকে ১৪৪ রানে আটকে রেখে জয়ের ভিত গড়ে দেন মোস্তাফিজ-ফাহিমরা। সিলেটের হয়ে ৩১ বলে ৪৬ রান করেন আফিফ হোসেন। তার ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ১ ছক্কা। ইথান ব্রুকস ৩০ বলে করেন ৩২ রান। মোস্তাফিজ ২৪ রানে নেন ৩ উইকেট। ফাহিম আশরাফও ৩ উইকেট নেন ১৮ রান দিয়ে।
ম্যাচসেরা হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিপিএলে বিরতি। ৪ জানুয়ারি আছে বিপিএলের দুটি ম্যাচ।

মাহমুদউল্লাহর ক্যামিওতে সিলেটকে হারালো রংপুর
স্পোর্টস ডেস্ক

বিপিএলে আগের ম্যাচে শেষ ওভারে ৬ বলে ৭ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি রংপুর রাইডার্স।শেষ বলে মাহমুদউল্লাহ রান আউট হলে ম্যাচ টাই হয়, পরে সুপার ওভারে হারে রংপুর। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ যখন নামেন রংপুরের দরকার ছিল ৪২ বলে ৬৭ রান। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানের ক্যামিওতে রংপুর এবার ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে, ৭ বল বাকি থাকতে।
মাহমুদউল্লাহ ১৬ বলে ৩৪ রানে অপরাজি থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ১ ছক্কা। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গ দেন ১১ বলে ১৯ করা খুশদিল শাহ। পঞ্চম উইকেটে ২৪ বলে ৫০ রানের জুটিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১৪৫ রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ২১ রানে প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। মালান ফেরেন ১৯ রান করে। তাওহীদ হৃদয় ১১ বলে ৬ রান করে নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন অধিনায়ক লিটন দাস।
তৃতীয় উইকেটে ৩৪ রানের জুটি গড়েন লিটন ও কাইল মায়ার্স। লিটন ৪ চার ও ১ ছক্কায় ২৫ বলে ৩৫ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। এরপর মায়ার্স ২৯ বলে ৩১ রান করে আউট হন। তবে বাকি পথ পাড়ি দিয়ে দলকে জেতান মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল।
তার আগে সিলেটকে ১৪৪ রানে আটকে রেখে জয়ের ভিত গড়ে দেন মোস্তাফিজ-ফাহিমরা। সিলেটের হয়ে ৩১ বলে ৪৬ রান করেন আফিফ হোসেন। তার ইনিংসে ছিল ৪ চার ও ১ ছক্কা। ইথান ব্রুকস ৩০ বলে করেন ৩২ রান। মোস্তাফিজ ২৪ রানে নেন ৩ উইকেট। ফাহিম আশরাফও ৩ উইকেট নেন ১৮ রান দিয়ে।
ম্যাচসেরা হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিপিএলে বিরতি। ৪ জানুয়ারি আছে বিপিএলের দুটি ম্যাচ।




