নোয়াখালীকে বিদায় করে শীর্ষে চট্টগ্রাম

নোয়াখালীকে বিদায় করে শীর্ষে চট্টগ্রাম
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

টানা ছয় ম্যাচে হারের পর দুই জয় পেয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম রয়্যালস ৫ উইকেটে হারিয়েছে নোয়াখালীকে এক্সপ্রেসকে। তাতে প্রথম দল হিসেবে বিপিএলের প্লে-অফ পর্ব সমীকরণ থেকে ছিটকে গেল নোয়াখালী।
আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১২৯ রান করে অলআউট হয় নোয়াখালী। জবাবে ১৮ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি চট্টগ্রামের। মাত্র ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দল। তবে পঞ্চম উইকেটে চাপ সামনে নেন দলনেতা শেখ মেহেদী হাসান ও হাসান নেওয়াজ। দুজন মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। এরপর আসিফ আলীকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মেহেদী। চট্টগ্রামের অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৪৯ রানে।
আসিফ খেলেন ৩৬ রানের ইনিংস। এছাড়া মোহাম্মদ নাঈম শেখ ১৮, হাসান নেওয়াজ ১১ ও মোহাম্মদ হারিস ৭ রান করেন।
তার আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী। ৩.১ ওভারে ৩৪ রান তুলে বিদায় নেন ওপেনার সৌম্য সরকার (১৪)। জাকের আলী ২৩ ও সাব্বির হোসেন ২২ রান করেন।
৩.৫ ওভারে ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন শরিফুল। যা এই আসরের দ্বিতীয় সেরা বোলিং। সিলেটে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন সিলেট টাইটানসের নাসুম আহমেদ। এবারের আসরে ইনিংসে প্রথম ৫ উইকেট নেন রংপুরের ফাহিম আশরাফ।
বিপিএল ইতিহাসে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে কম রানে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও এটি। এর আগে এই কীর্তিটি ছিল আবু হায়দার রনির দখলে। ২০১৪ সালে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে রংপুরের হয়ে ১২ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন রনি। তবে বিপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলিং ফিগার এখনও তাসকিন আহমেদের নামেই রয়েছে। গত আসরে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে তিনি ১৯ রান খরচায় ৭ উইকেট শিকার করেছিলেন।

টানা ছয় ম্যাচে হারের পর দুই জয় পেয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম রয়্যালস ৫ উইকেটে হারিয়েছে নোয়াখালীকে এক্সপ্রেসকে। তাতে প্রথম দল হিসেবে বিপিএলের প্লে-অফ পর্ব সমীকরণ থেকে ছিটকে গেল নোয়াখালী।
আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১২৯ রান করে অলআউট হয় নোয়াখালী। জবাবে ১৮ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি চট্টগ্রামের। মাত্র ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দল। তবে পঞ্চম উইকেটে চাপ সামনে নেন দলনেতা শেখ মেহেদী হাসান ও হাসান নেওয়াজ। দুজন মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। এরপর আসিফ আলীকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মেহেদী। চট্টগ্রামের অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৪৯ রানে।
আসিফ খেলেন ৩৬ রানের ইনিংস। এছাড়া মোহাম্মদ নাঈম শেখ ১৮, হাসান নেওয়াজ ১১ ও মোহাম্মদ হারিস ৭ রান করেন।
তার আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী। ৩.১ ওভারে ৩৪ রান তুলে বিদায় নেন ওপেনার সৌম্য সরকার (১৪)। জাকের আলী ২৩ ও সাব্বির হোসেন ২২ রান করেন।
৩.৫ ওভারে ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন শরিফুল। যা এই আসরের দ্বিতীয় সেরা বোলিং। সিলেটে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন সিলেট টাইটানসের নাসুম আহমেদ। এবারের আসরে ইনিংসে প্রথম ৫ উইকেট নেন রংপুরের ফাহিম আশরাফ।
বিপিএল ইতিহাসে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে কম রানে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও এটি। এর আগে এই কীর্তিটি ছিল আবু হায়দার রনির দখলে। ২০১৪ সালে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে রংপুরের হয়ে ১২ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন রনি। তবে বিপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলিং ফিগার এখনও তাসকিন আহমেদের নামেই রয়েছে। গত আসরে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে তিনি ১৯ রান খরচায় ৭ উইকেট শিকার করেছিলেন।

নোয়াখালীকে বিদায় করে শীর্ষে চট্টগ্রাম
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

টানা ছয় ম্যাচে হারের পর দুই জয় পেয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম রয়্যালস ৫ উইকেটে হারিয়েছে নোয়াখালীকে এক্সপ্রেসকে। তাতে প্রথম দল হিসেবে বিপিএলের প্লে-অফ পর্ব সমীকরণ থেকে ছিটকে গেল নোয়াখালী।
আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১২৯ রান করে অলআউট হয় নোয়াখালী। জবাবে ১৮ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি চট্টগ্রামের। মাত্র ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দল। তবে পঞ্চম উইকেটে চাপ সামনে নেন দলনেতা শেখ মেহেদী হাসান ও হাসান নেওয়াজ। দুজন মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। এরপর আসিফ আলীকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মেহেদী। চট্টগ্রামের অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৪৯ রানে।
আসিফ খেলেন ৩৬ রানের ইনিংস। এছাড়া মোহাম্মদ নাঈম শেখ ১৮, হাসান নেওয়াজ ১১ ও মোহাম্মদ হারিস ৭ রান করেন।
তার আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী। ৩.১ ওভারে ৩৪ রান তুলে বিদায় নেন ওপেনার সৌম্য সরকার (১৪)। জাকের আলী ২৩ ও সাব্বির হোসেন ২২ রান করেন।
৩.৫ ওভারে ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন শরিফুল। যা এই আসরের দ্বিতীয় সেরা বোলিং। সিলেটে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন সিলেট টাইটানসের নাসুম আহমেদ। এবারের আসরে ইনিংসে প্রথম ৫ উইকেট নেন রংপুরের ফাহিম আশরাফ।
বিপিএল ইতিহাসে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে কম রানে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও এটি। এর আগে এই কীর্তিটি ছিল আবু হায়দার রনির দখলে। ২০১৪ সালে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে রংপুরের হয়ে ১২ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন রনি। তবে বিপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলিং ফিগার এখনও তাসকিন আহমেদের নামেই রয়েছে। গত আসরে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে তিনি ১৯ রান খরচায় ৭ উইকেট শিকার করেছিলেন।




