রাশিয়ার দ্বীপে আকাশে ভেসে উঠলো দুটি সূর্য!

রাশিয়ার দ্বীপে আকাশে ভেসে উঠলো দুটি সূর্য!
সিটিজেন-ডেস্ক

রাশিয়ার সাকহালিন দ্বীপে একসঙ্গে আকাশে ভেসে উঠেছে সূর্যের মতো দুটি আলোর প্রতিচ্ছবি। বিরল এই দৃশ্য দেখে বিস্মিত হন দ্বীপটির বাসিন্দারা, অনেকেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দিও করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ঘটনাটি কোনো রহস্য নয়, বরং একটি স্বীকৃত প্রাকৃতিক ঘটনা।
একে বলা হয় ‘সান ডগ’। আবহাওয়াবিজ্ঞানের ভাষায় এটি একটি বায়ুমণ্ডলীয় অপটিক্যাল প্রভাব, যা কখনও ‘মক সান’ বা ‘পারহেলিয়া’ নামেও পরিচিত।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত শীতের কারণে বাতাসে ভাসমান বরফের সূক্ষ্ম স্ফটিক সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত ও প্রতিসরিত করে। ফলে সূর্যের পাশেই উজ্জ্বল আলোর আরেকটি প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। অনেক সময় এটি সূর্যের এক পাশে, আবার কখনও দুই পাশেই দেখা দিতে পারে। বাস্তবে আকাশে সূর্য ছিল একটি। বাকিটা দৃশ্য চোখের বিভ্রম।
রাশিয়ার জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, সাকহালিন দ্বীপে এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

রাশিয়ার সাকহালিন দ্বীপে একসঙ্গে আকাশে ভেসে উঠেছে সূর্যের মতো দুটি আলোর প্রতিচ্ছবি। বিরল এই দৃশ্য দেখে বিস্মিত হন দ্বীপটির বাসিন্দারা, অনেকেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দিও করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ঘটনাটি কোনো রহস্য নয়, বরং একটি স্বীকৃত প্রাকৃতিক ঘটনা।
একে বলা হয় ‘সান ডগ’। আবহাওয়াবিজ্ঞানের ভাষায় এটি একটি বায়ুমণ্ডলীয় অপটিক্যাল প্রভাব, যা কখনও ‘মক সান’ বা ‘পারহেলিয়া’ নামেও পরিচিত।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত শীতের কারণে বাতাসে ভাসমান বরফের সূক্ষ্ম স্ফটিক সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত ও প্রতিসরিত করে। ফলে সূর্যের পাশেই উজ্জ্বল আলোর আরেকটি প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। অনেক সময় এটি সূর্যের এক পাশে, আবার কখনও দুই পাশেই দেখা দিতে পারে। বাস্তবে আকাশে সূর্য ছিল একটি। বাকিটা দৃশ্য চোখের বিভ্রম।
রাশিয়ার জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, সাকহালিন দ্বীপে এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

রাশিয়ার দ্বীপে আকাশে ভেসে উঠলো দুটি সূর্য!
সিটিজেন-ডেস্ক

রাশিয়ার সাকহালিন দ্বীপে একসঙ্গে আকাশে ভেসে উঠেছে সূর্যের মতো দুটি আলোর প্রতিচ্ছবি। বিরল এই দৃশ্য দেখে বিস্মিত হন দ্বীপটির বাসিন্দারা, অনেকেই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দিও করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ঘটনাটি কোনো রহস্য নয়, বরং একটি স্বীকৃত প্রাকৃতিক ঘটনা।
একে বলা হয় ‘সান ডগ’। আবহাওয়াবিজ্ঞানের ভাষায় এটি একটি বায়ুমণ্ডলীয় অপটিক্যাল প্রভাব, যা কখনও ‘মক সান’ বা ‘পারহেলিয়া’ নামেও পরিচিত।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত শীতের কারণে বাতাসে ভাসমান বরফের সূক্ষ্ম স্ফটিক সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত ও প্রতিসরিত করে। ফলে সূর্যের পাশেই উজ্জ্বল আলোর আরেকটি প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। অনেক সময় এটি সূর্যের এক পাশে, আবার কখনও দুই পাশেই দেখা দিতে পারে। বাস্তবে আকাশে সূর্য ছিল একটি। বাকিটা দৃশ্য চোখের বিভ্রম।
রাশিয়ার জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার তথ্য অনুযায়ী, সাকহালিন দ্বীপে এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে মাইনাস ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।


