নির্বাচনি প্রচারণায় নারীদের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ছাত্রীসংস্থার

নির্বাচনি প্রচারণায় নারীদের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ছাত্রীসংস্থার
ঢাবি প্রতিনিধি

সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণাকালে নারীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনার প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইসলামী ছাত্রীসংস্থা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গনে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ঢাবি শাখার সভানেত্রী সাবিকুন্নার তামান্না বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারী কর্মীদের ওপর শারীরিক হামলা, হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে অনলাইনে যেসব নারীরা সরব হয়েছেন, তাদের অনেককে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে ফ্লাড শেমিং, মেসেঞ্জারে হুমকি এবং নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
তিনি জানান, গত দুই দিনে অন্তত ১৪টি নারী নির্যাতন ও হেনস্তার ঘটনা সংগঠনটির নজরে এসেছে। ২৫ জানুয়ারি যশোরের ঝিকরগাছায় যুবদলের সভাপতির নেতৃত্বে একদল লোক নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। একই দিনে চুয়াডাঙ্গা ও কুমিল্লায় নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া যায়।
সাবিকুন্নার জানান, ২৬ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে এক নারীর ওপর বর্বর হামলার পাশাপাশি লালমনিরহাটে ১৩ জন নারী কর্মীকে হেনস্তা করা হয়। এর আগে ভোলার চর ফ্যাশনে এক নারীর কান ছিঁড়ে অলংকার ছিনিয়ে নেওয়া, নাটোরে নারী কর্মীদের চর-থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর, ঝিনাইদহ, ভোলা, মেহেরপুর ও ঢাকার মিরপুর এলাকায় বিভিন্ন সময়ে নারীকর্মীদের হেনস্তা ও হামলার ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে সাবিকুন্নার তামান্না আরও বলেন, ২৫ জানুয়ারি বিএনপির এক এমপি প্রার্থী পাপিয়া তার বক্তব্যে জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেউ নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন, যা উদ্বেগজনক।
এতসব ঘটনার পরও দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন সাবিকুন্নার তামান্না। তার ভাষ্য, জুলাই-পরবর্তী সময়ে একটি নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, যেখানে নারীদের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং তারা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারবে। কিন্তু ভোটের আগেই বিরোধী দলের নারী কর্মীদের ওপর যেভাবে হামলা ও নির্যাতন হচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সাবিকুন্নার তামান্না ‘সিলেক্টিভ প্রতিবাদ’-এর অভিযোগ তুলে বলেন, অতীতে এক জামায়াত নেতার অশোভন মন্তব্যের ঘটনায় প্রতিবাদ হলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের দ্বারা সংঘটিত শারীরিক হামলার ঘটনায় তেমন কোনো প্রতিবাদ দেখা যায়নি। এ ধরনের দ্বিচারিতার বিরোধিতা করেন তিনি।
মিডিয়ার ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাবিকুন্নার তামান্না। তার অভিযোগ, বড় বড় গণমাধ্যমগুলো তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও নারী কর্মীদের ওপর চলমান হামলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে না। এতে প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাবিকুন্নার বলেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেতাকর্মীরা চিহ্নিত। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে জনসম্মুখে শাস্তির ঘোষণা দিলে নারী সমাজ নির্বাচনী পরিবেশে নিজেদের নিরাপদ মনে করবে। অন্যথায় নারীরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে এবং ভোটকেন্দ্রে যেতেও ভয় পাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংগঠনটির ঢাবি শাখার সেক্রেটারি আফসানা আক্তার বলেন, নারী কর্মীদের ওপর এভাবে অব্যাহত হামলা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করছে এবং একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি জানান, জামায়াত ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণাকালে নারীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনার প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইসলামী ছাত্রীসংস্থা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গনে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ঢাবি শাখার সভানেত্রী সাবিকুন্নার তামান্না বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারী কর্মীদের ওপর শারীরিক হামলা, হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে অনলাইনে যেসব নারীরা সরব হয়েছেন, তাদের অনেককে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে ফ্লাড শেমিং, মেসেঞ্জারে হুমকি এবং নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
তিনি জানান, গত দুই দিনে অন্তত ১৪টি নারী নির্যাতন ও হেনস্তার ঘটনা সংগঠনটির নজরে এসেছে। ২৫ জানুয়ারি যশোরের ঝিকরগাছায় যুবদলের সভাপতির নেতৃত্বে একদল লোক নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। একই দিনে চুয়াডাঙ্গা ও কুমিল্লায় নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া যায়।
সাবিকুন্নার জানান, ২৬ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে এক নারীর ওপর বর্বর হামলার পাশাপাশি লালমনিরহাটে ১৩ জন নারী কর্মীকে হেনস্তা করা হয়। এর আগে ভোলার চর ফ্যাশনে এক নারীর কান ছিঁড়ে অলংকার ছিনিয়ে নেওয়া, নাটোরে নারী কর্মীদের চর-থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর, ঝিনাইদহ, ভোলা, মেহেরপুর ও ঢাকার মিরপুর এলাকায় বিভিন্ন সময়ে নারীকর্মীদের হেনস্তা ও হামলার ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে সাবিকুন্নার তামান্না আরও বলেন, ২৫ জানুয়ারি বিএনপির এক এমপি প্রার্থী পাপিয়া তার বক্তব্যে জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেউ নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন, যা উদ্বেগজনক।
এতসব ঘটনার পরও দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন সাবিকুন্নার তামান্না। তার ভাষ্য, জুলাই-পরবর্তী সময়ে একটি নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, যেখানে নারীদের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং তারা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারবে। কিন্তু ভোটের আগেই বিরোধী দলের নারী কর্মীদের ওপর যেভাবে হামলা ও নির্যাতন হচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সাবিকুন্নার তামান্না ‘সিলেক্টিভ প্রতিবাদ’-এর অভিযোগ তুলে বলেন, অতীতে এক জামায়াত নেতার অশোভন মন্তব্যের ঘটনায় প্রতিবাদ হলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের দ্বারা সংঘটিত শারীরিক হামলার ঘটনায় তেমন কোনো প্রতিবাদ দেখা যায়নি। এ ধরনের দ্বিচারিতার বিরোধিতা করেন তিনি।
মিডিয়ার ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাবিকুন্নার তামান্না। তার অভিযোগ, বড় বড় গণমাধ্যমগুলো তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও নারী কর্মীদের ওপর চলমান হামলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে না। এতে প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাবিকুন্নার বলেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেতাকর্মীরা চিহ্নিত। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে জনসম্মুখে শাস্তির ঘোষণা দিলে নারী সমাজ নির্বাচনী পরিবেশে নিজেদের নিরাপদ মনে করবে। অন্যথায় নারীরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে এবং ভোটকেন্দ্রে যেতেও ভয় পাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংগঠনটির ঢাবি শাখার সেক্রেটারি আফসানা আক্তার বলেন, নারী কর্মীদের ওপর এভাবে অব্যাহত হামলা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করছে এবং একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি জানান, জামায়াত ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

নির্বাচনি প্রচারণায় নারীদের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ছাত্রীসংস্থার
ঢাবি প্রতিনিধি

সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণাকালে নারীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনার প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইসলামী ছাত্রীসংস্থা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গনে সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ঢাবি শাখার সভানেত্রী সাবিকুন্নার তামান্না বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারী কর্মীদের ওপর শারীরিক হামলা, হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে অনলাইনে যেসব নারীরা সরব হয়েছেন, তাদের অনেককে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে ফ্লাড শেমিং, মেসেঞ্জারে হুমকি এবং নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
তিনি জানান, গত দুই দিনে অন্তত ১৪টি নারী নির্যাতন ও হেনস্তার ঘটনা সংগঠনটির নজরে এসেছে। ২৫ জানুয়ারি যশোরের ঝিকরগাছায় যুবদলের সভাপতির নেতৃত্বে একদল লোক নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। একই দিনে চুয়াডাঙ্গা ও কুমিল্লায় নারী কর্মীদের হেনস্তার অভিযোগ পাওয়া যায়।
সাবিকুন্নার জানান, ২৬ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে এক নারীর ওপর বর্বর হামলার পাশাপাশি লালমনিরহাটে ১৩ জন নারী কর্মীকে হেনস্তা করা হয়। এর আগে ভোলার চর ফ্যাশনে এক নারীর কান ছিঁড়ে অলংকার ছিনিয়ে নেওয়া, নাটোরে নারী কর্মীদের চর-থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর, ঝিনাইদহ, ভোলা, মেহেরপুর ও ঢাকার মিরপুর এলাকায় বিভিন্ন সময়ে নারীকর্মীদের হেনস্তা ও হামলার ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে সাবিকুন্নার তামান্না আরও বলেন, ২৫ জানুয়ারি বিএনপির এক এমপি প্রার্থী পাপিয়া তার বক্তব্যে জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেউ নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন, যা উদ্বেগজনক।
এতসব ঘটনার পরও দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন সাবিকুন্নার তামান্না। তার ভাষ্য, জুলাই-পরবর্তী সময়ে একটি নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, যেখানে নারীদের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং তারা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারবে। কিন্তু ভোটের আগেই বিরোধী দলের নারী কর্মীদের ওপর যেভাবে হামলা ও নির্যাতন হচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সাবিকুন্নার তামান্না ‘সিলেক্টিভ প্রতিবাদ’-এর অভিযোগ তুলে বলেন, অতীতে এক জামায়াত নেতার অশোভন মন্তব্যের ঘটনায় প্রতিবাদ হলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের দ্বারা সংঘটিত শারীরিক হামলার ঘটনায় তেমন কোনো প্রতিবাদ দেখা যায়নি। এ ধরনের দ্বিচারিতার বিরোধিতা করেন তিনি।
মিডিয়ার ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন সাবিকুন্নার তামান্না। তার অভিযোগ, বড় বড় গণমাধ্যমগুলো তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও নারী কর্মীদের ওপর চলমান হামলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে না। এতে প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাবিকুন্নার বলেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নেতাকর্মীরা চিহ্নিত। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে জনসম্মুখে শাস্তির ঘোষণা দিলে নারী সমাজ নির্বাচনী পরিবেশে নিজেদের নিরাপদ মনে করবে। অন্যথায় নারীরা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে এবং ভোটকেন্দ্রে যেতেও ভয় পাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংগঠনটির ঢাবি শাখার সেক্রেটারি আফসানা আক্তার বলেন, নারী কর্মীদের ওপর এভাবে অব্যাহত হামলা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করছে এবং একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি জানান, জামায়াত ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।




