এমপিওভুক্তির দাবিতে ১১তম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি

এমপিওভুক্তির দাবিতে ১১তম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সব প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তিসহ ৫ দফা দাবিতে এগারোতম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক-কর্মচারীরা।
সরেজমিনে আজ বুধবার (০৫ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে।
এ সময় শিক্ষকরা বলেন, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ২০ ডিসেম্বর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও এমপিও অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু করে। মোট ২,৭৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও, যাচাই-বাছাই শেষে ১,৭৭২টি প্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশনার জন্য প্রস্তুত করা হয়।

বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯-এর আলোকে আন্তঃমন্ত্রণালয় ভিত্তিক স্বীকৃতি ও এমপিও কমিটি গঠন করা হলেও প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীরগতিতে এগোচ্ছে। এর আগে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ৫৭টি বিদ্যালয় এবং অনলাইনে আবেদন করা ১,৭৭২টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা বারবার আন্দোলন চালালেও, কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র মৌখিক আশ্বাসই প্রদান করেছে।
তাদের দাবি, মানবেতর জীবনযাপনকারী শিক্ষকরা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছেন, কিন্তু সরকার তাদের দাবির প্রতি অবহেলা করছে। তাই অবিলম্বে দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষকদের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো-
১. সব বিশেষ (অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী) বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা।
২. সব বিশেষ বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী বান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করা।
৩. বিশেষ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি ৩,০০০ টাকা নিশ্চিত করা, পাশাপাশি মিডডে মিল, উচ্চ মানের শিক্ষাসামগ্রী, খেলাধুলার সরঞ্জাম ও থেরাপি সেন্টার বাস্তবায়ন করা।
৪. ছাত্র-ছাত্রীদের ভোকেশনাল শিক্ষা কারিকুলামের আওতায় কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
৫. চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত কোটা সুনিশ্চিত করা।

দেশের সব প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তিসহ ৫ দফা দাবিতে এগারোতম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক-কর্মচারীরা।
সরেজমিনে আজ বুধবার (০৫ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে।
এ সময় শিক্ষকরা বলেন, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ২০ ডিসেম্বর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও এমপিও অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু করে। মোট ২,৭৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও, যাচাই-বাছাই শেষে ১,৭৭২টি প্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশনার জন্য প্রস্তুত করা হয়।

বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯-এর আলোকে আন্তঃমন্ত্রণালয় ভিত্তিক স্বীকৃতি ও এমপিও কমিটি গঠন করা হলেও প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীরগতিতে এগোচ্ছে। এর আগে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ৫৭টি বিদ্যালয় এবং অনলাইনে আবেদন করা ১,৭৭২টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা বারবার আন্দোলন চালালেও, কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র মৌখিক আশ্বাসই প্রদান করেছে।
তাদের দাবি, মানবেতর জীবনযাপনকারী শিক্ষকরা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছেন, কিন্তু সরকার তাদের দাবির প্রতি অবহেলা করছে। তাই অবিলম্বে দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষকদের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো-
১. সব বিশেষ (অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী) বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা।
২. সব বিশেষ বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী বান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করা।
৩. বিশেষ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি ৩,০০০ টাকা নিশ্চিত করা, পাশাপাশি মিডডে মিল, উচ্চ মানের শিক্ষাসামগ্রী, খেলাধুলার সরঞ্জাম ও থেরাপি সেন্টার বাস্তবায়ন করা।
৪. ছাত্র-ছাত্রীদের ভোকেশনাল শিক্ষা কারিকুলামের আওতায় কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
৫. চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত কোটা সুনিশ্চিত করা।

এমপিওভুক্তির দাবিতে ১১তম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সব প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তিসহ ৫ দফা দাবিতে এগারোতম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক-কর্মচারীরা।
সরেজমিনে আজ বুধবার (০৫ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদেরকে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে।
এ সময় শিক্ষকরা বলেন, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ২০ ডিসেম্বর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি ও এমপিও অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু করে। মোট ২,৭৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও, যাচাই-বাছাই শেষে ১,৭৭২টি প্রতিষ্ঠান পরবর্তী নির্দেশনার জন্য প্রস্তুত করা হয়।

বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯-এর আলোকে আন্তঃমন্ত্রণালয় ভিত্তিক স্বীকৃতি ও এমপিও কমিটি গঠন করা হলেও প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীরগতিতে এগোচ্ছে। এর আগে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ৫৭টি বিদ্যালয় এবং অনলাইনে আবেদন করা ১,৭৭২টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা বারবার আন্দোলন চালালেও, কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র মৌখিক আশ্বাসই প্রদান করেছে।
তাদের দাবি, মানবেতর জীবনযাপনকারী শিক্ষকরা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছেন, কিন্তু সরকার তাদের দাবির প্রতি অবহেলা করছে। তাই অবিলম্বে দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষকদের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো-
১. সব বিশেষ (অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী) বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা।
২. সব বিশেষ বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী বান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করা।
৩. বিশেষ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি ৩,০০০ টাকা নিশ্চিত করা, পাশাপাশি মিডডে মিল, উচ্চ মানের শিক্ষাসামগ্রী, খেলাধুলার সরঞ্জাম ও থেরাপি সেন্টার বাস্তবায়ন করা।
৪. ছাত্র-ছাত্রীদের ভোকেশনাল শিক্ষা কারিকুলামের আওতায় কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
৫. চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত কোটা সুনিশ্চিত করা।
