বিএনপি কর্মীর বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার ভোট চাইতে গিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫

বিএনপি কর্মীর বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার ভোট চাইতে গিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫
ভোলা সংবাদদাতা

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতের ইউনিয়ন আমিরসহ দুপক্ষের ১৫ কর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত জামায়াতের দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা আব্দুল হালিম, ফয়জুল্লাহ, ইমন, শাহেল আলম, রাইহান, শামীম, রাতুল ও তানজিল। আর বিএনপির আয়ুব আলী, শিমু বেগম, বাবু, শামিম ও উজ্জলা বিবি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জন জামায়াত নেতাকর্মী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপি কর্মী আয়ুব আলীর বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি কর্মীর আয়ুব আলী ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে বিএনপি নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মো. আজম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো কোনো দলের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতের ইউনিয়ন আমিরসহ দুপক্ষের ১৫ কর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত জামায়াতের দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা আব্দুল হালিম, ফয়জুল্লাহ, ইমন, শাহেল আলম, রাইহান, শামীম, রাতুল ও তানজিল। আর বিএনপির আয়ুব আলী, শিমু বেগম, বাবু, শামিম ও উজ্জলা বিবি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জন জামায়াত নেতাকর্মী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপি কর্মী আয়ুব আলীর বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি কর্মীর আয়ুব আলী ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে বিএনপি নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মো. আজম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো কোনো দলের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপি কর্মীর বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার ভোট চাইতে গিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫
ভোলা সংবাদদাতা

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জামায়াতের ইউনিয়ন আমিরসহ দুপক্ষের ১৫ কর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত জামায়াতের দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা আব্দুল হালিম, ফয়জুল্লাহ, ইমন, শাহেল আলম, রাইহান, শামীম, রাতুল ও তানজিল। আর বিএনপির আয়ুব আলী, শিমু বেগম, বাবু, শামিম ও উজ্জলা বিবি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জন জামায়াত নেতাকর্মী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপি কর্মী আয়ুব আলীর বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি কর্মীর আয়ুব আলী ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে বিএনপি নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুই জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মো. আজম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো কোনো দলের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




