শীতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বীজতলা: আবাদ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

শীতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বীজতলা: আবাদ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
শেরপুর সংবাদদাতা

তীব্র শীতে ঘন কুয়াশায় বোরো আবাদের বীজতলা হলুদ হয়ে গেছে। এমনকি অনেক বীজতলা মরে গেছে। এতে বোরো আবাদ নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শেরপুর জেলায় দিনের বেলায় ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি, রাতের বেলায় ৮ থেকে ১০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা উঠানামা করছে। এমনকি রাতে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মতো ঘনকুয়াশা পড়ছে।
উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস আলী বলেন, বেশ কিছু দিন যাবত একদমই রোদ উঠে না। আমি ৮ কেজি হাইব্রিড জাতের ধানের বীজতলা তৈরি করেছি। আমার বীজতলা ঠান্ডার কারণে ধূসর হয়ে গেছে। বোরো ধান রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
নালিতাবাড়ী উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মো. রাশিদুজ্জামান ইমরান বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বোরো আবাদে কৃষকের বীজতলার বেশ ক্ষতি হচ্ছে। এজন্য আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বীজতলায় ছত্রাকনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়া বিকাল বেলায় পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিতে বলেছি।

তীব্র শীতে ঘন কুয়াশায় বোরো আবাদের বীজতলা হলুদ হয়ে গেছে। এমনকি অনেক বীজতলা মরে গেছে। এতে বোরো আবাদ নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শেরপুর জেলায় দিনের বেলায় ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি, রাতের বেলায় ৮ থেকে ১০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা উঠানামা করছে। এমনকি রাতে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মতো ঘনকুয়াশা পড়ছে।
উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস আলী বলেন, বেশ কিছু দিন যাবত একদমই রোদ উঠে না। আমি ৮ কেজি হাইব্রিড জাতের ধানের বীজতলা তৈরি করেছি। আমার বীজতলা ঠান্ডার কারণে ধূসর হয়ে গেছে। বোরো ধান রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
নালিতাবাড়ী উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মো. রাশিদুজ্জামান ইমরান বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বোরো আবাদে কৃষকের বীজতলার বেশ ক্ষতি হচ্ছে। এজন্য আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বীজতলায় ছত্রাকনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়া বিকাল বেলায় পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিতে বলেছি।

শীতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বীজতলা: আবাদ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
শেরপুর সংবাদদাতা

তীব্র শীতে ঘন কুয়াশায় বোরো আবাদের বীজতলা হলুদ হয়ে গেছে। এমনকি অনেক বীজতলা মরে গেছে। এতে বোরো আবাদ নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শেরপুর জেলায় দিনের বেলায় ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি, রাতের বেলায় ৮ থেকে ১০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা উঠানামা করছে। এমনকি রাতে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মতো ঘনকুয়াশা পড়ছে।
উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামের কৃষক ইদ্রিস আলী বলেন, বেশ কিছু দিন যাবত একদমই রোদ উঠে না। আমি ৮ কেজি হাইব্রিড জাতের ধানের বীজতলা তৈরি করেছি। আমার বীজতলা ঠান্ডার কারণে ধূসর হয়ে গেছে। বোরো ধান রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
নালিতাবাড়ী উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মো. রাশিদুজ্জামান ইমরান বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বোরো আবাদে কৃষকের বীজতলার বেশ ক্ষতি হচ্ছে। এজন্য আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বীজতলায় ছত্রাকনাশক প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়া বিকাল বেলায় পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিতে বলেছি।




