সায়েন্স ল্যাবে ঢাবির বাস ভাঙচুর বিক্ষোভকারীদের

সায়েন্স ল্যাবে ঢাবির বাস ভাঙচুর বিক্ষোভকারীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে বাসে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বাস ভাঙচুর ও শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের আনা-নেওয়া করা ‘অর্জন’ নামের একটি বাস। দুপুরে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবরোধের মুখে পড়ে বাসটি।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, বাস আটকে দেওয়া নিয়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টোরিয়াল টিমের সদস্যরা বাসটি ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পেছন থেকে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে বাসের জানালার কাচ ভেঙে দুজন শিক্ষার্থী আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাস লক্ষ্য করে ইট ছোড়ায় দুটি জানালার কাচ ভেঙেছে এবং বাইরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা বিকল্প রুট ব্যবহারের পরিকল্পনা করছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের পরিচালক কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাসের পেছনের গ্লাস পুরোপুরি ভেঙে গেছে এবং এতে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষোভ ও বিচার দাবি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, সাত কলেজকে নিয়ে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশের খসড়া দ্রুত অনুমোদন ও চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সায়েন্সল্যাব ও টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিলে অংশ নেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যাদেশ জারিতে দেরি হওয়াকে তারা ‘টালবাহানা’ মনে করছেন। অবিলম্বে চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের পরিমার্জিত খসড়া মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আইনি যাচাই শেষে দ্রুতই এটি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। এর আগে বুধবারও (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে দীর্ঘ সময় অবরোধ পালন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে বাসে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বাস ভাঙচুর ও শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের আনা-নেওয়া করা ‘অর্জন’ নামের একটি বাস। দুপুরে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবরোধের মুখে পড়ে বাসটি।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, বাস আটকে দেওয়া নিয়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টোরিয়াল টিমের সদস্যরা বাসটি ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পেছন থেকে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে বাসের জানালার কাচ ভেঙে দুজন শিক্ষার্থী আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাস লক্ষ্য করে ইট ছোড়ায় দুটি জানালার কাচ ভেঙেছে এবং বাইরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা বিকল্প রুট ব্যবহারের পরিকল্পনা করছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের পরিচালক কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাসের পেছনের গ্লাস পুরোপুরি ভেঙে গেছে এবং এতে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষোভ ও বিচার দাবি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, সাত কলেজকে নিয়ে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশের খসড়া দ্রুত অনুমোদন ও চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সায়েন্সল্যাব ও টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিলে অংশ নেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যাদেশ জারিতে দেরি হওয়াকে তারা ‘টালবাহানা’ মনে করছেন। অবিলম্বে চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের পরিমার্জিত খসড়া মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আইনি যাচাই শেষে দ্রুতই এটি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। এর আগে বুধবারও (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে দীর্ঘ সময় অবরোধ পালন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

সায়েন্স ল্যাবে ঢাবির বাস ভাঙচুর বিক্ষোভকারীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবরোধ চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে বাসে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বাস ভাঙচুর ও শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের আনা-নেওয়া করা ‘অর্জন’ নামের একটি বাস। দুপুরে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবরোধের মুখে পড়ে বাসটি।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, বাস আটকে দেওয়া নিয়ে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টোরিয়াল টিমের সদস্যরা বাসটি ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পেছন থেকে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এতে বাসের জানালার কাচ ভেঙে দুজন শিক্ষার্থী আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাস লক্ষ্য করে ইট ছোড়ায় দুটি জানালার কাচ ভেঙেছে এবং বাইরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা বিকল্প রুট ব্যবহারের পরিকল্পনা করছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের পরিচালক কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাসের পেছনের গ্লাস পুরোপুরি ভেঙে গেছে এবং এতে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষোভ ও বিচার দাবি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, সাত কলেজকে নিয়ে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশের খসড়া দ্রুত অনুমোদন ও চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সায়েন্সল্যাব ও টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিলে অংশ নেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যাদেশ জারিতে দেরি হওয়াকে তারা ‘টালবাহানা’ মনে করছেন। অবিলম্বে চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের পরিমার্জিত খসড়া মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আইনি যাচাই শেষে দ্রুতই এটি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। এর আগে বুধবারও (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে দীর্ঘ সময় অবরোধ পালন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।




