পূর্বাচল ঘিরে দায়িত্ব পালন করবে ৬,৫২৪ পুলিশ

পূর্বাচল ঘিরে দায়িত্ব পালন করবে ৬,৫২৪ পুলিশ
সিটিজেন-ডেস্ক

রাজধানীর অদূরে গড়ে উঠতে থাকা পূর্বাচল নতুন শহরকে ঘিরে পুলিশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো ও জনবল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করবেন ৬ হাজার ৫২৪ জন পুলিশ সদস্য, যা কোনো একক প্রকল্পে পুলিশের জন্য নজিরবিহীন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, পুরো পূর্বাচল এলাকাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় এনে সেখানে চারটি থানা, ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্সসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পুলিশ কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ কাঠামো পরিচালনায় ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়টি ইতিমধ্যে প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ভবিষ্যতে পূর্বাচল নতুন শহরে ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের বসবাস হবে। সেখানে সরকারি আবাসন, কূটনৈতিক এলাকা, আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক কেন্দ্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানসহ একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠবে। এই বিপুল জনসংখ্যা ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই এলাকাটিকে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় থাকবে একটি অপরাধ বিভাগ, একটি গোয়েন্দা বিভাগ, একটি ট্রাফিক বিভাগ, একটি পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, একটি পরিবহন বিভাগ, একটি পুলিশ লাইনস, একটি এমআইএস বা আইটি ইউনিট, দুটি অপরাধ জোন, চারটি ট্রাফিক জোন, চারটি থানা, ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্স। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক যানবাহন ও আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করার কথাও রয়েছে প্রস্তাবনায়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘পূর্বাচল নতুন শহরকে শুরু থেকেই একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতেই এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। রাজউকের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ভবিষ্যতে এখানে বিপুল জনসংখ্যার বসবাস হবে। সে বাস্তবতা বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী পুলিশ কাঠামোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।‘
তিনি জানান, প্রস্তাবটি বর্তমানে প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। অনুমোদন মিললে ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

রাজধানীর অদূরে গড়ে উঠতে থাকা পূর্বাচল নতুন শহরকে ঘিরে পুলিশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো ও জনবল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করবেন ৬ হাজার ৫২৪ জন পুলিশ সদস্য, যা কোনো একক প্রকল্পে পুলিশের জন্য নজিরবিহীন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, পুরো পূর্বাচল এলাকাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় এনে সেখানে চারটি থানা, ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্সসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পুলিশ কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ কাঠামো পরিচালনায় ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়টি ইতিমধ্যে প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ভবিষ্যতে পূর্বাচল নতুন শহরে ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের বসবাস হবে। সেখানে সরকারি আবাসন, কূটনৈতিক এলাকা, আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক কেন্দ্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানসহ একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠবে। এই বিপুল জনসংখ্যা ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই এলাকাটিকে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় থাকবে একটি অপরাধ বিভাগ, একটি গোয়েন্দা বিভাগ, একটি ট্রাফিক বিভাগ, একটি পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, একটি পরিবহন বিভাগ, একটি পুলিশ লাইনস, একটি এমআইএস বা আইটি ইউনিট, দুটি অপরাধ জোন, চারটি ট্রাফিক জোন, চারটি থানা, ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্স। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক যানবাহন ও আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করার কথাও রয়েছে প্রস্তাবনায়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘পূর্বাচল নতুন শহরকে শুরু থেকেই একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতেই এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। রাজউকের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ভবিষ্যতে এখানে বিপুল জনসংখ্যার বসবাস হবে। সে বাস্তবতা বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী পুলিশ কাঠামোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।‘
তিনি জানান, প্রস্তাবটি বর্তমানে প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। অনুমোদন মিললে ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

পূর্বাচল ঘিরে দায়িত্ব পালন করবে ৬,৫২৪ পুলিশ
সিটিজেন-ডেস্ক

রাজধানীর অদূরে গড়ে উঠতে থাকা পূর্বাচল নতুন শহরকে ঘিরে পুলিশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো ও জনবল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করবেন ৬ হাজার ৫২৪ জন পুলিশ সদস্য, যা কোনো একক প্রকল্পে পুলিশের জন্য নজিরবিহীন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, পুরো পূর্বাচল এলাকাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় এনে সেখানে চারটি থানা, ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্সসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পুলিশ কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ কাঠামো পরিচালনায় ৬ হাজার ৫২৪টি নতুন পদ সৃষ্টির বিষয়টি ইতিমধ্যে প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ভবিষ্যতে পূর্বাচল নতুন শহরে ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের বসবাস হবে। সেখানে সরকারি আবাসন, কূটনৈতিক এলাকা, আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক কেন্দ্র, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানসহ একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠবে। এই বিপুল জনসংখ্যা ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই এলাকাটিকে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় থাকবে একটি অপরাধ বিভাগ, একটি গোয়েন্দা বিভাগ, একটি ট্রাফিক বিভাগ, একটি পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, একটি পরিবহন বিভাগ, একটি পুলিশ লাইনস, একটি এমআইএস বা আইটি ইউনিট, দুটি অপরাধ জোন, চারটি ট্রাফিক জোন, চারটি থানা, ছয়টি পুলিশ ফাঁড়ি ও ৪১টি পুলিশ বক্স। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক যানবাহন ও আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করার কথাও রয়েছে প্রস্তাবনায়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘পূর্বাচল নতুন শহরকে শুরু থেকেই একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতেই এই প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। রাজউকের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ভবিষ্যতে এখানে বিপুল জনসংখ্যার বসবাস হবে। সে বাস্তবতা বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী পুলিশ কাঠামোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।‘
তিনি জানান, প্রস্তাবটি বর্তমানে প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। অনুমোদন মিললে ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।




