শিরোনাম

পদোন্নতির দাবিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক কর্মচারীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পদোন্নতির দাবিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ৪ ব্যাংক কর্মচারীদের মানববন্ধন
মানববন্ধনে প্রায় ২০ জনের মতো কমকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

বঞ্চিতদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় পদোন্নতির দাবি জানিয়েছেন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রুপালী ব্যাংকের পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে। ‘রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক পদোন্নতি বৈষম্য নিরসন ঐক্য পরিষদের’ ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে প্রায় ২০ জনের মতো কমকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– সুপার নিউমেরারি পদোন্নতি আত্মীকরণ, সমন্বয় বা নিয়মিতকরণের অজুহাতে নিয়মিত পদোন্নতি বন্ধ করা যাবে না; ২০২৪ সালের শূন্যপদ এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কাট-অফ ডেট ধরে প্রতিটি ব্যাংকের নিজস্ব পদোন্নতি নীতিমালা অনুযায়ী নিয়মিত পদোন্নতি দিতে হবে; রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর প্রস্তাবিত নতুন অর্গানোগ্রাম আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদন করতে হবে।

এছাড়া নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদনের পর তিন ধাপে সুপার নিউমেরারি পদোন্নতি নিয়মিতকরণ করতে হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ কাট-অফ ডেট ধরে দ্বিতীয় দফা পদোন্নতি দিতে হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কর্মচারীদের পদোন্নতি নীতিমালা–২০২৫ সংশোধন অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের আদলে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন এবং পদোন্নতি বঞ্চিতদের বিশেষ ব্যবস্থায় পদোন্নতি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

মানববন্ধনে মো. মোতাহের হোসেন বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত ৪টি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। ১৪ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একটি স্মারকের নির্দেশ মোতাবেক সুপার নেউমেরারি পদোন্নতি নিয়মিতকরণ বা সমন্নয় ব্যতিত নিয়মিত পদোন্নতি বন্ধ রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত নতুন অর্গানোগ্রাম অনুমোদন বিলম্ব ও নীতিগত জটিলতার অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত পদোন্নতি কার্যক্রম স্থবির থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা ও বৈষম্য তৈরি হয়েছে।’

/এমএইচএম/জেএইচ/