সিজিএস আয়োজিত নীতি সংলাপ
সংখ্যালঘুর নিরাপত্তাই গণতন্ত্রের মান নির্ধারণ করে

সংখ্যালঘুর নিরাপত্তাই গণতন্ত্রের মান নির্ধারণ করে
সিটিজেন-ডেস্ক

অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার এই তিনটি বিষয় পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে গিয়ে নানা বাধা ও ঝুঁকির মুখে পড়ে, তাই রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার’ শীর্ষক একটি নীতি সংলাপে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান এসব কথা বলেন। আলোচনাটি সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী এবং মানবাধিকারকর্মীরা অংশ নেন।
জিল্লুর রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবায়নে তার প্রতিফলন খুব কম দেখা যায়। জাতীয় নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্তি, অধিকার সুরক্ষা এবং বৈষম্য দূরীকরণে কী ধরনের সংস্কার করা হবে—সে বিষয়ে দলগুলোর স্পষ্ট অবস্থান প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পর ইশতেহার অনুযায়ী কী করা হয়েছে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহিতা দুর্বল। সংবিধান ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়টিও উপেক্ষিত হয়। জুলাই আন্দোলনের পর সংস্কার ও বিচার নিয়ে আলোচনা হলেও বাস্তব অগ্রগতি হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
আলোচক ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন সিপিডি’র ডিস্টিংগুইশড ফেলো ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান; -সুজন এর সেক্রেটারি বদিউল আলম মজুমদার; জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ প্রমুখ।
সংলাপে উপস্থিত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান বলেন, ‘একটি গণতন্ত্রের গুণগত মান আংশিকভাবে নির্ধারিত হয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী কতটা নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্ত বোধ করে তার ওপর। সংখ্যালঘু পরিচয় বাইরের কেউ চাপিয়ে দেবে নাকি সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী নিজেরাই যেভাবে নিজেদের পরিচয় দিতে চায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
সুজন-এর সেক্রেটারি ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হলে তা নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্টভাবে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত না হলে কোনো রাষ্ট্রকে সভ্য বলা যায় না।’

অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার এই তিনটি বিষয় পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে গিয়ে নানা বাধা ও ঝুঁকির মুখে পড়ে, তাই রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার’ শীর্ষক একটি নীতি সংলাপে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান এসব কথা বলেন। আলোচনাটি সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী এবং মানবাধিকারকর্মীরা অংশ নেন।
জিল্লুর রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবায়নে তার প্রতিফলন খুব কম দেখা যায়। জাতীয় নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্তি, অধিকার সুরক্ষা এবং বৈষম্য দূরীকরণে কী ধরনের সংস্কার করা হবে—সে বিষয়ে দলগুলোর স্পষ্ট অবস্থান প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পর ইশতেহার অনুযায়ী কী করা হয়েছে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহিতা দুর্বল। সংবিধান ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়টিও উপেক্ষিত হয়। জুলাই আন্দোলনের পর সংস্কার ও বিচার নিয়ে আলোচনা হলেও বাস্তব অগ্রগতি হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
আলোচক ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন সিপিডি’র ডিস্টিংগুইশড ফেলো ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান; -সুজন এর সেক্রেটারি বদিউল আলম মজুমদার; জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ প্রমুখ।
সংলাপে উপস্থিত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান বলেন, ‘একটি গণতন্ত্রের গুণগত মান আংশিকভাবে নির্ধারিত হয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী কতটা নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্ত বোধ করে তার ওপর। সংখ্যালঘু পরিচয় বাইরের কেউ চাপিয়ে দেবে নাকি সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী নিজেরাই যেভাবে নিজেদের পরিচয় দিতে চায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
সুজন-এর সেক্রেটারি ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হলে তা নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্টভাবে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত না হলে কোনো রাষ্ট্রকে সভ্য বলা যায় না।’

সংখ্যালঘুর নিরাপত্তাই গণতন্ত্রের মান নির্ধারণ করে
সিটিজেন-ডেস্ক

অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার এই তিনটি বিষয় পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে গিয়ে নানা বাধা ও ঝুঁকির মুখে পড়ে, তাই রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার’ শীর্ষক একটি নীতি সংলাপে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান এসব কথা বলেন। আলোচনাটি সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী এবং মানবাধিকারকর্মীরা অংশ নেন।
জিল্লুর রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবায়নে তার প্রতিফলন খুব কম দেখা যায়। জাতীয় নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্তি, অধিকার সুরক্ষা এবং বৈষম্য দূরীকরণে কী ধরনের সংস্কার করা হবে—সে বিষয়ে দলগুলোর স্পষ্ট অবস্থান প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পর ইশতেহার অনুযায়ী কী করা হয়েছে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহিতা দুর্বল। সংবিধান ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়টিও উপেক্ষিত হয়। জুলাই আন্দোলনের পর সংস্কার ও বিচার নিয়ে আলোচনা হলেও বাস্তব অগ্রগতি হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
আলোচক ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন সিপিডি’র ডিস্টিংগুইশড ফেলো ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান; -সুজন এর সেক্রেটারি বদিউল আলম মজুমদার; জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ প্রমুখ।
সংলাপে উপস্থিত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান বলেন, ‘একটি গণতন্ত্রের গুণগত মান আংশিকভাবে নির্ধারিত হয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী কতটা নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্ত বোধ করে তার ওপর। সংখ্যালঘু পরিচয় বাইরের কেউ চাপিয়ে দেবে নাকি সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী নিজেরাই যেভাবে নিজেদের পরিচয় দিতে চায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
সুজন-এর সেক্রেটারি ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হলে তা নির্বাচনী ইশতেহারে স্পষ্টভাবে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত না হলে কোনো রাষ্ট্রকে সভ্য বলা যায় না।’




