সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ ৬ জনের শেয়ার অবরুদ্ধ

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ ৬ জনের শেয়ার অবরুদ্ধ
আদালত-সংবাদদাতা

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৬ জনের নামে থাকা ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫ শেয়ার ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সিআইডির আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
শেয়ার অবরুদ্ধ হওয়া অপর ৫ জন হলেন– ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, মেঘনা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরী, আবুল কাসেম, নাসিম উদ্দিন মোহাম্মদ আদিল ও উৎপল পাল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
‘চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও মুদ্রা পাচারের’ অভিযোগের অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় সিআইডির ফাইন্যান্সসিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) নাফিজুর রহমান শেয়ার অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ও সহযোগিতায় ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ও তারিখে ইউকে এগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড থেকে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার’ মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা এবং দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা অর্জন করেন।
অর্জিত ৬০ কোটি টাকার প্রকৃত উৎস ‘গোপন’ করার জন্য ‘অবৈধভাবে’ বিদেশে পাঠিয়ে পুনরায় তা দেশে এনে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ‘স্থানান্তর’ করা হয়। ওই অর্থ দিয়ে ইমরানা জামান, উৎপল ও নাসিমের নামে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় ২০ কোটি টাকার সমমূল্যের ইউএস ডলার আবুল কাসেমের মাধ্যমে ইউসিবির গুলশান কর্পোরেট শাখা এবং এনআরবিসি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে বাংলাদেশে আনা হয়। এসব টাকা নগদে উত্তোলন করে ইউসিবির চট্টগ্রামের স্টেশন রোড শাখায় ইমরানা জামান চৌধুরীর একটি হিসাবে এবং একই ব্যাংকের বহদ্দারাহাট শাখায় স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড নামের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাবে জমা করা হয়।
স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব খোলার ফরম পর্যালোচনায় দেখা যায়, উৎপল পাল ওই কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও নাসিম উদ্দিন ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে আবেদনে বলা হয়, উৎপল পাল ও নাসিম উদ্দিন দুজনই সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী। এছাড়া ইমরানা জামান চৌধুরী এবং স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে থাকা এসব হিসাবে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা জমা করা হয়। জমাকৃত টাকা দিয়ে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির শেয়ার কেনার জন্য কমিউনিটি ব্যাংক পিএলসি, গুলশান শাখায় একটি হিসাব খোলা হয়। ওই হিসাবে ২০২২ সালের ১ আগস্ট ও ২ অক্টোবর পর্যন্ত ইমরানা জামান ও স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড থেকে মোট ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়।
ওই অর্থ দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন, অলক কুমার দাস ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসির (ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন) নামে থাকা মেঘনা ব্যাংক পিএলসি মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ২০০ শেয়ার ইমরানা জামান চৌধুরী ও স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে কেনা হয়।
বর্তমানে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে মেঘনা ব্যাংকে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫টি শেয়ার রয়েছে।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৬ জনের নামে থাকা ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫ শেয়ার ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সিআইডির আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
শেয়ার অবরুদ্ধ হওয়া অপর ৫ জন হলেন– ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, মেঘনা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরী, আবুল কাসেম, নাসিম উদ্দিন মোহাম্মদ আদিল ও উৎপল পাল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
‘চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও মুদ্রা পাচারের’ অভিযোগের অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় সিআইডির ফাইন্যান্সসিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) নাফিজুর রহমান শেয়ার অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ও সহযোগিতায় ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ও তারিখে ইউকে এগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড থেকে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার’ মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা এবং দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা অর্জন করেন।
অর্জিত ৬০ কোটি টাকার প্রকৃত উৎস ‘গোপন’ করার জন্য ‘অবৈধভাবে’ বিদেশে পাঠিয়ে পুনরায় তা দেশে এনে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ‘স্থানান্তর’ করা হয়। ওই অর্থ দিয়ে ইমরানা জামান, উৎপল ও নাসিমের নামে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় ২০ কোটি টাকার সমমূল্যের ইউএস ডলার আবুল কাসেমের মাধ্যমে ইউসিবির গুলশান কর্পোরেট শাখা এবং এনআরবিসি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে বাংলাদেশে আনা হয়। এসব টাকা নগদে উত্তোলন করে ইউসিবির চট্টগ্রামের স্টেশন রোড শাখায় ইমরানা জামান চৌধুরীর একটি হিসাবে এবং একই ব্যাংকের বহদ্দারাহাট শাখায় স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড নামের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাবে জমা করা হয়।
স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব খোলার ফরম পর্যালোচনায় দেখা যায়, উৎপল পাল ওই কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও নাসিম উদ্দিন ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে আবেদনে বলা হয়, উৎপল পাল ও নাসিম উদ্দিন দুজনই সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী। এছাড়া ইমরানা জামান চৌধুরী এবং স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে থাকা এসব হিসাবে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা জমা করা হয়। জমাকৃত টাকা দিয়ে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির শেয়ার কেনার জন্য কমিউনিটি ব্যাংক পিএলসি, গুলশান শাখায় একটি হিসাব খোলা হয়। ওই হিসাবে ২০২২ সালের ১ আগস্ট ও ২ অক্টোবর পর্যন্ত ইমরানা জামান ও স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড থেকে মোট ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়।
ওই অর্থ দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন, অলক কুমার দাস ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসির (ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন) নামে থাকা মেঘনা ব্যাংক পিএলসি মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ২০০ শেয়ার ইমরানা জামান চৌধুরী ও স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে কেনা হয়।
বর্তমানে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে মেঘনা ব্যাংকে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫টি শেয়ার রয়েছে।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ ৬ জনের শেয়ার অবরুদ্ধ
আদালত-সংবাদদাতা

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৬ জনের নামে থাকা ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫ শেয়ার ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ সিআইডির আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
শেয়ার অবরুদ্ধ হওয়া অপর ৫ জন হলেন– ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি, মেঘনা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরী, আবুল কাসেম, নাসিম উদ্দিন মোহাম্মদ আদিল ও উৎপল পাল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
‘চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও মুদ্রা পাচারের’ অভিযোগের অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় সিআইডির ফাইন্যান্সসিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) নাফিজুর রহমান শেয়ার অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ও সহযোগিতায় ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ও তারিখে ইউকে এগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড থেকে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার’ মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা এবং দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা অর্জন করেন।
অর্জিত ৬০ কোটি টাকার প্রকৃত উৎস ‘গোপন’ করার জন্য ‘অবৈধভাবে’ বিদেশে পাঠিয়ে পুনরায় তা দেশে এনে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ‘স্থানান্তর’ করা হয়। ওই অর্থ দিয়ে ইমরানা জামান, উৎপল ও নাসিমের নামে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়, প্রায় ২০ কোটি টাকার সমমূল্যের ইউএস ডলার আবুল কাসেমের মাধ্যমে ইউসিবির গুলশান কর্পোরেট শাখা এবং এনআরবিসি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে বাংলাদেশে আনা হয়। এসব টাকা নগদে উত্তোলন করে ইউসিবির চট্টগ্রামের স্টেশন রোড শাখায় ইমরানা জামান চৌধুরীর একটি হিসাবে এবং একই ব্যাংকের বহদ্দারাহাট শাখায় স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড নামের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাবে জমা করা হয়।
স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব খোলার ফরম পর্যালোচনায় দেখা যায়, উৎপল পাল ওই কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও নাসিম উদ্দিন ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে আবেদনে বলা হয়, উৎপল পাল ও নাসিম উদ্দিন দুজনই সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের কর্মচারী। এছাড়া ইমরানা জামান চৌধুরী এবং স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে থাকা এসব হিসাবে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা জমা করা হয়। জমাকৃত টাকা দিয়ে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির শেয়ার কেনার জন্য কমিউনিটি ব্যাংক পিএলসি, গুলশান শাখায় একটি হিসাব খোলা হয়। ওই হিসাবে ২০২২ সালের ১ আগস্ট ও ২ অক্টোবর পর্যন্ত ইমরানা জামান ও স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড থেকে মোট ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়।
ওই অর্থ দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন, অলক কুমার দাস ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসির (ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন) নামে থাকা মেঘনা ব্যাংক পিএলসি মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ২০০ শেয়ার ইমরানা জামান চৌধুরী ও স্ট্রিডফার্স্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে কেনা হয়।
বর্তমানে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে মেঘনা ব্যাংকে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫টি শেয়ার রয়েছে।




