সবাইকে হাসালেও দিলদারের জীবন গেছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে

সবাইকে হাসালেও দিলদারের জীবন গেছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে
সিটিজেন-ডেস্ক

আগের বাংলা সিনেমা যারা দেখেছেন তাদের কাছে দিলদার নামটা পরিচিত হওয়ার কথা। ২০০৩ সালে মারা যান দিলদার তবে এই কৌতুক অভিনেতার কাজ আজও স্মৃতিতে আছে বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের। তার সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কৌতুক অভিনেতা ছিলেন। প্রযোজকদের কাছে ‘দিলদার’ মানেই ছিল হিট ছবির নিশ্চয়তা।
মানুষকে হাসাতে হাসাতে তিনি অর্জন করেন খ্যাতি, সম্মান এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বেঁচে থাকলে আজ তার বয়স হতো ৮১ বছর। আজও টেলিভিশনের পর্দায় তার উপস্থিতি প্রমাণ করে দিলদার সময়কে অতিক্রম করে আছেন।
১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্ম নেওয়া দেলোয়ার হোসেন নাম বদলে হয়েছিলেন দিলদার হোসেন। এই নামেই তিনি ঠাঁই করে নেন দর্শকহৃদয়ে।
দিলদারের জন্মদিনে তার ছোট মেয়ে জিনিয়া আফরোজ দেশের একটি প্রথমসারির সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে বলেন, ‘সবাই আব্বুর অভিনয়ে হেসেছে, কিন্তু আব্বু নিজে খুব একটা হাসতেন না। তার জীবন এতটা হাস্যোজ্জ্বল ছিল না। অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে।’
অভিনয়ে আসার আগে দিলদার চাকরি করতেন ঢাকার পূর্বাণী হোটেলে। ১৯৭৩ সালে সেখানে ফ্লোর ইনচার্জ হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু। মাস শেষে নির্দিষ্ট আয়ের চাকরি, সংসারের দায়িত্ব সব মিলিয়ে অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া সহজ ছিল না।
জিনিয়া আফরোজ আরও বলেন, ‘পর্দায় সবাইকে হাসালেও বাস্তবে আব্বু খুব রাগী ছিলেন। মানুষ তাকে ভয় পেত। তবে পরিবারের সঙ্গে তিনি ছিলেন ভীষণ ফ্রেন্ডলি। আমাদের সঙ্গে অনেক মজা করতেন। আমাকে লক্ষ্মী নামে ডাকতেন।’
২০০২ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির পর চিকিৎসকেরা ছয় মাস বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ ছাড়া থাকতে পারতেন না দিলদার। সেখান থেকেই একসময় স্ট্রোক। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই, মাত্র ৫৮ বছর বয়সে থেমে যায় তার জীবন।
বাবার কোনো ছবি মুঠোফোনে রাখেন না জানিয়ে জিনিয়া আফরোজ বলেন, ‘তার ছবি দেখলেই কান্না পায়।’

আগের বাংলা সিনেমা যারা দেখেছেন তাদের কাছে দিলদার নামটা পরিচিত হওয়ার কথা। ২০০৩ সালে মারা যান দিলদার তবে এই কৌতুক অভিনেতার কাজ আজও স্মৃতিতে আছে বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের। তার সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কৌতুক অভিনেতা ছিলেন। প্রযোজকদের কাছে ‘দিলদার’ মানেই ছিল হিট ছবির নিশ্চয়তা।
মানুষকে হাসাতে হাসাতে তিনি অর্জন করেন খ্যাতি, সম্মান এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বেঁচে থাকলে আজ তার বয়স হতো ৮১ বছর। আজও টেলিভিশনের পর্দায় তার উপস্থিতি প্রমাণ করে দিলদার সময়কে অতিক্রম করে আছেন।
১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্ম নেওয়া দেলোয়ার হোসেন নাম বদলে হয়েছিলেন দিলদার হোসেন। এই নামেই তিনি ঠাঁই করে নেন দর্শকহৃদয়ে।
দিলদারের জন্মদিনে তার ছোট মেয়ে জিনিয়া আফরোজ দেশের একটি প্রথমসারির সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে বলেন, ‘সবাই আব্বুর অভিনয়ে হেসেছে, কিন্তু আব্বু নিজে খুব একটা হাসতেন না। তার জীবন এতটা হাস্যোজ্জ্বল ছিল না। অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে।’
অভিনয়ে আসার আগে দিলদার চাকরি করতেন ঢাকার পূর্বাণী হোটেলে। ১৯৭৩ সালে সেখানে ফ্লোর ইনচার্জ হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু। মাস শেষে নির্দিষ্ট আয়ের চাকরি, সংসারের দায়িত্ব সব মিলিয়ে অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া সহজ ছিল না।
জিনিয়া আফরোজ আরও বলেন, ‘পর্দায় সবাইকে হাসালেও বাস্তবে আব্বু খুব রাগী ছিলেন। মানুষ তাকে ভয় পেত। তবে পরিবারের সঙ্গে তিনি ছিলেন ভীষণ ফ্রেন্ডলি। আমাদের সঙ্গে অনেক মজা করতেন। আমাকে লক্ষ্মী নামে ডাকতেন।’
২০০২ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির পর চিকিৎসকেরা ছয় মাস বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ ছাড়া থাকতে পারতেন না দিলদার। সেখান থেকেই একসময় স্ট্রোক। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই, মাত্র ৫৮ বছর বয়সে থেমে যায় তার জীবন।
বাবার কোনো ছবি মুঠোফোনে রাখেন না জানিয়ে জিনিয়া আফরোজ বলেন, ‘তার ছবি দেখলেই কান্না পায়।’

সবাইকে হাসালেও দিলদারের জীবন গেছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে
সিটিজেন-ডেস্ক

আগের বাংলা সিনেমা যারা দেখেছেন তাদের কাছে দিলদার নামটা পরিচিত হওয়ার কথা। ২০০৩ সালে মারা যান দিলদার তবে এই কৌতুক অভিনেতার কাজ আজও স্মৃতিতে আছে বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের। তার সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কৌতুক অভিনেতা ছিলেন। প্রযোজকদের কাছে ‘দিলদার’ মানেই ছিল হিট ছবির নিশ্চয়তা।
মানুষকে হাসাতে হাসাতে তিনি অর্জন করেন খ্যাতি, সম্মান এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বেঁচে থাকলে আজ তার বয়স হতো ৮১ বছর। আজও টেলিভিশনের পর্দায় তার উপস্থিতি প্রমাণ করে দিলদার সময়কে অতিক্রম করে আছেন।
১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্ম নেওয়া দেলোয়ার হোসেন নাম বদলে হয়েছিলেন দিলদার হোসেন। এই নামেই তিনি ঠাঁই করে নেন দর্শকহৃদয়ে।
দিলদারের জন্মদিনে তার ছোট মেয়ে জিনিয়া আফরোজ দেশের একটি প্রথমসারির সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে বলেন, ‘সবাই আব্বুর অভিনয়ে হেসেছে, কিন্তু আব্বু নিজে খুব একটা হাসতেন না। তার জীবন এতটা হাস্যোজ্জ্বল ছিল না। অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে।’
অভিনয়ে আসার আগে দিলদার চাকরি করতেন ঢাকার পূর্বাণী হোটেলে। ১৯৭৩ সালে সেখানে ফ্লোর ইনচার্জ হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু। মাস শেষে নির্দিষ্ট আয়ের চাকরি, সংসারের দায়িত্ব সব মিলিয়ে অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া সহজ ছিল না।
জিনিয়া আফরোজ আরও বলেন, ‘পর্দায় সবাইকে হাসালেও বাস্তবে আব্বু খুব রাগী ছিলেন। মানুষ তাকে ভয় পেত। তবে পরিবারের সঙ্গে তিনি ছিলেন ভীষণ ফ্রেন্ডলি। আমাদের সঙ্গে অনেক মজা করতেন। আমাকে লক্ষ্মী নামে ডাকতেন।’
২০০২ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির পর চিকিৎসকেরা ছয় মাস বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ ছাড়া থাকতে পারতেন না দিলদার। সেখান থেকেই একসময় স্ট্রোক। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই, মাত্র ৫৮ বছর বয়সে থেমে যায় তার জীবন।
বাবার কোনো ছবি মুঠোফোনে রাখেন না জানিয়ে জিনিয়া আফরোজ বলেন, ‘তার ছবি দেখলেই কান্না পায়।’




