নাসিরের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে ঢাকা হারালো নোয়াখালীকে

নাসিরের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে ঢাকা হারালো নোয়াখালীকে
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারলো না নোয়াখালী। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নোয়াখালী তোলে ১৩৩ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কিছুটা চাপেই ছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। ৩ ওভারে ১৪ রান তুলতেই ২ উইকেট হারায় দলটি। কিন্তু পরের ১০ বলেই সব চাপ উড়িয়ে দেন নাসির হোসেন। মোহাম্মদ নবির করা চতুর্থ ওভারের প্রথম তিন বলে চার মারেন তিনি।
পাকিস্তানি বাঁহাতি স্পিনার মাজ সাদাকাতের করা পরের ওভারের প্রথম চার বলও পাঠান বাউন্ডারিতে, যার একটি ছিল ছক্কা। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই নাসির ২১ বলে তুলে নেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত নাসির ৫০ বলে ৯০ রানে অপরাজিত থাকেন। নাসিরেরর টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস এটি।
নাসিরের দুর্দান্ত ইনিংসে ৩৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে জয় পায় ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৬ বছরের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৫৭তম ম্যাচে এসে প্রথমবার ৯০ ছুলন নাসির। জাতীয় দলের বাইরে থাকা নাসিরের এই সংস্করণে আগের সর্বোচ্চ ছিল ৮০। ২০১৩ সালের বিপিএলে রংপুরে রাইডার্সের হয়ে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নাসিরের এটি দশম ফিফটি।
তার আগে ব্যাট করতে নেমে ৯.৩ ওভারে ৪০ রান তুলতেই নোয়াখালী হারায় ৫ উইকেট। সেখান থেকে দুই বিদেশি মোহাম্মদ নবি আর হায়দার আলী তাদের লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন। ৬১ বলে ৯১ রানের জুটি গড়েন তারা। হায়দার ৩৬ বলে ৪৭ রানে আউট হলেও ৩৩ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন নবি।
৫ ম্যাচে এটি দ্বিতীয় জয় ঢাকা ক্যাপিটালসের। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে জেতার পর টানা ৩ ম্যাচ হেরেছিল তারা। ৫ ম্যাচের কোনোটিতেই না জেতা নোয়াখালী এক্সপ্রেস আছে সবার শেষে।

হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারলো না নোয়াখালী। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নোয়াখালী তোলে ১৩৩ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কিছুটা চাপেই ছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। ৩ ওভারে ১৪ রান তুলতেই ২ উইকেট হারায় দলটি। কিন্তু পরের ১০ বলেই সব চাপ উড়িয়ে দেন নাসির হোসেন। মোহাম্মদ নবির করা চতুর্থ ওভারের প্রথম তিন বলে চার মারেন তিনি।
পাকিস্তানি বাঁহাতি স্পিনার মাজ সাদাকাতের করা পরের ওভারের প্রথম চার বলও পাঠান বাউন্ডারিতে, যার একটি ছিল ছক্কা। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই নাসির ২১ বলে তুলে নেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত নাসির ৫০ বলে ৯০ রানে অপরাজিত থাকেন। নাসিরেরর টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস এটি।
নাসিরের দুর্দান্ত ইনিংসে ৩৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে জয় পায় ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৬ বছরের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৫৭তম ম্যাচে এসে প্রথমবার ৯০ ছুলন নাসির। জাতীয় দলের বাইরে থাকা নাসিরের এই সংস্করণে আগের সর্বোচ্চ ছিল ৮০। ২০১৩ সালের বিপিএলে রংপুরে রাইডার্সের হয়ে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নাসিরের এটি দশম ফিফটি।
তার আগে ব্যাট করতে নেমে ৯.৩ ওভারে ৪০ রান তুলতেই নোয়াখালী হারায় ৫ উইকেট। সেখান থেকে দুই বিদেশি মোহাম্মদ নবি আর হায়দার আলী তাদের লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন। ৬১ বলে ৯১ রানের জুটি গড়েন তারা। হায়দার ৩৬ বলে ৪৭ রানে আউট হলেও ৩৩ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন নবি।
৫ ম্যাচে এটি দ্বিতীয় জয় ঢাকা ক্যাপিটালসের। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে জেতার পর টানা ৩ ম্যাচ হেরেছিল তারা। ৫ ম্যাচের কোনোটিতেই না জেতা নোয়াখালী এক্সপ্রেস আছে সবার শেষে।

নাসিরের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে ঢাকা হারালো নোয়াখালীকে
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

হারের বৃত্ত থেকে বের হতে পারলো না নোয়াখালী। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নোয়াখালী তোলে ১৩৩ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কিছুটা চাপেই ছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। ৩ ওভারে ১৪ রান তুলতেই ২ উইকেট হারায় দলটি। কিন্তু পরের ১০ বলেই সব চাপ উড়িয়ে দেন নাসির হোসেন। মোহাম্মদ নবির করা চতুর্থ ওভারের প্রথম তিন বলে চার মারেন তিনি।
পাকিস্তানি বাঁহাতি স্পিনার মাজ সাদাকাতের করা পরের ওভারের প্রথম চার বলও পাঠান বাউন্ডারিতে, যার একটি ছিল ছক্কা। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই নাসির ২১ বলে তুলে নেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত নাসির ৫০ বলে ৯০ রানে অপরাজিত থাকেন। নাসিরেরর টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস এটি।
নাসিরের দুর্দান্ত ইনিংসে ৩৫ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে জয় পায় ঢাকা ক্যাপিটালস।
১৬ বছরের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৫৭তম ম্যাচে এসে প্রথমবার ৯০ ছুলন নাসির। জাতীয় দলের বাইরে থাকা নাসিরের এই সংস্করণে আগের সর্বোচ্চ ছিল ৮০। ২০১৩ সালের বিপিএলে রংপুরে রাইডার্সের হয়ে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নাসিরের এটি দশম ফিফটি।
তার আগে ব্যাট করতে নেমে ৯.৩ ওভারে ৪০ রান তুলতেই নোয়াখালী হারায় ৫ উইকেট। সেখান থেকে দুই বিদেশি মোহাম্মদ নবি আর হায়দার আলী তাদের লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন। ৬১ বলে ৯১ রানের জুটি গড়েন তারা। হায়দার ৩৬ বলে ৪৭ রানে আউট হলেও ৩৩ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন নবি।
৫ ম্যাচে এটি দ্বিতীয় জয় ঢাকা ক্যাপিটালসের। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে জেতার পর টানা ৩ ম্যাচ হেরেছিল তারা। ৫ ম্যাচের কোনোটিতেই না জেতা নোয়াখালী এক্সপ্রেস আছে সবার শেষে।




