বিশ্বকাপে ১০ দেশ মিলিয়ে দর্শক ১৭৮ মিলিয়ন, বাংলাদেশের একাই ১৭৬: ইউসুফ

বিশ্বকাপে ১০ দেশ মিলিয়ে দর্শক ১৭৮ মিলিয়ন, বাংলাদেশের একাই ১৭৬: ইউসুফ
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

বাংলাদেশ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বিরুদ্ধে ‘প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত’ নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তিনি দাবি করেছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পেছনে নিরপেক্ষতা নয়, বরং প্রভাব কাজ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউসুফ দর্শকসংখ্যার পরিসংখ্যান তুলে ধরে আইসিসির সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। তার দাবি, অংশগ্রহণকারী ২০ দেশের মধ্যে ১০টি দেশের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শকসংখ্যা বাংলাদেশের একক দর্শকসংখ্যার চেয়েও কম। যদিও হিন্দুস্তান টাইমস তাদের প্রতিবেদনে স্বীকার করে নিয়েছে, এই তথ্য পরিপূর্ণভাবে যাচাই করতে পারেনি তারা।
ইউসুফ লেখেন, ‘অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান; এই ১০টি দেশের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শকসংখ্যা মোটামুটি বাংলাদেশের একক দর্শকসংখ্যার সমান। ১০ দেশ মিলিয়ে ১৭৮ মিলিয়ন, বাংলাদেশ একাই ১৭৬ মিলিয়ন।’
আইসিসির কার্যক্রমে দ্বৈত নীতির অভিযোগ তোলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। গত বছরের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রসঙ্গ টানেন, তখন ভারত পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি দুবাইকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করেছিল।
ইউসুফ লেখেন, ‘যে খেলাটি বৈশ্বিক দর্শকের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে বাংলাদেশের যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করা তাদের সংস্থা চালানোর পদ্ধতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। যখন সমঝোতা বেছে বেছে করা হয়, তখন ন্যায্যতা হারিয়ে যায়। ক্রিকেট প্রভাব দিয়ে নয়, নীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হওয়া উচিত।’

বাংলাদেশ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বিরুদ্ধে ‘প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত’ নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তিনি দাবি করেছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পেছনে নিরপেক্ষতা নয়, বরং প্রভাব কাজ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউসুফ দর্শকসংখ্যার পরিসংখ্যান তুলে ধরে আইসিসির সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। তার দাবি, অংশগ্রহণকারী ২০ দেশের মধ্যে ১০টি দেশের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শকসংখ্যা বাংলাদেশের একক দর্শকসংখ্যার চেয়েও কম। যদিও হিন্দুস্তান টাইমস তাদের প্রতিবেদনে স্বীকার করে নিয়েছে, এই তথ্য পরিপূর্ণভাবে যাচাই করতে পারেনি তারা।
ইউসুফ লেখেন, ‘অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান; এই ১০টি দেশের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শকসংখ্যা মোটামুটি বাংলাদেশের একক দর্শকসংখ্যার সমান। ১০ দেশ মিলিয়ে ১৭৮ মিলিয়ন, বাংলাদেশ একাই ১৭৬ মিলিয়ন।’
আইসিসির কার্যক্রমে দ্বৈত নীতির অভিযোগ তোলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। গত বছরের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রসঙ্গ টানেন, তখন ভারত পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি দুবাইকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করেছিল।
ইউসুফ লেখেন, ‘যে খেলাটি বৈশ্বিক দর্শকের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে বাংলাদেশের যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করা তাদের সংস্থা চালানোর পদ্ধতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। যখন সমঝোতা বেছে বেছে করা হয়, তখন ন্যায্যতা হারিয়ে যায়। ক্রিকেট প্রভাব দিয়ে নয়, নীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হওয়া উচিত।’

বিশ্বকাপে ১০ দেশ মিলিয়ে দর্শক ১৭৮ মিলিয়ন, বাংলাদেশের একাই ১৭৬: ইউসুফ
সিটিজেন-স্পোর্টস-ডেস্ক

বাংলাদেশ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বিরুদ্ধে ‘প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত’ নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তিনি দাবি করেছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার পেছনে নিরপেক্ষতা নয়, বরং প্রভাব কাজ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউসুফ দর্শকসংখ্যার পরিসংখ্যান তুলে ধরে আইসিসির সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। তার দাবি, অংশগ্রহণকারী ২০ দেশের মধ্যে ১০টি দেশের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শকসংখ্যা বাংলাদেশের একক দর্শকসংখ্যার চেয়েও কম। যদিও হিন্দুস্তান টাইমস তাদের প্রতিবেদনে স্বীকার করে নিয়েছে, এই তথ্য পরিপূর্ণভাবে যাচাই করতে পারেনি তারা।
ইউসুফ লেখেন, ‘অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান; এই ১০টি দেশের সম্মিলিত ক্রিকেট দর্শকসংখ্যা মোটামুটি বাংলাদেশের একক দর্শকসংখ্যার সমান। ১০ দেশ মিলিয়ে ১৭৮ মিলিয়ন, বাংলাদেশ একাই ১৭৬ মিলিয়ন।’
আইসিসির কার্যক্রমে দ্বৈত নীতির অভিযোগ তোলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। গত বছরের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রসঙ্গ টানেন, তখন ভারত পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি দুবাইকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করেছিল।
ইউসুফ লেখেন, ‘যে খেলাটি বৈশ্বিক দর্শকের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে বাংলাদেশের যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগ উপেক্ষা করা তাদের সংস্থা চালানোর পদ্ধতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। যখন সমঝোতা বেছে বেছে করা হয়, তখন ন্যায্যতা হারিয়ে যায়। ক্রিকেট প্রভাব দিয়ে নয়, নীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হওয়া উচিত।’




