সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর

ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর
জ্যেষ্ঠ-প্রতিবেদক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কিছু ব্যক্তি ও মহল ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, কিছু লোক টাকার বিনিময়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উসকানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে, গুজব ছড়াচ্ছে; এটি বেশিদিন চলবে না। বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই ব্যাংকের সব লেনদেন খুলে দেয়া হয়েছে, আমানতে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দেয়া হচ্ছে। একবারে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা যাচ্ছে।
আমানতের বিপরীতে ঋণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মুনাফাও উত্তোলন করা যাবে। যে রেজ্যুলেশনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত, তা রাতারাতি করা সম্ভব নয়। শরিয়াহ্ কাউন্সিলের পরামর্শ অনুযায়ী, বিগত দুই বছরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা দিতে পারা সম্ভব হয়নি।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রাহকের দুরঅবস্থা বিবেচনা করে ৪ শতাংশ সুদ দেয়া হচ্ছে। ৫টি ব্যাংকের লোকসানের পরও এই ৪ শতাংশ মুনাফা দেয়া হচ্ছে সরকারের অনুদানের মাধ্যমে, যেখানে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে বলে জানান গভর্নর।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ক্ষেত্রে শুধু জমা করা নগদ টাকা দেয়া হচ্ছে। সেখানে ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়া হয়েছে। ইসলামী আইন মুনাফার আকারে নয়, অনুদানের আকারে। যা সরকারের বাড়তি খরচ।
৫ ব্যাংকের এই অবস্থার জন্য দায়ভার সবারই আছে, শুধু সরকার কেনো সব দায় নিবেনেবে। সরকার বরং প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সহায়তা দিয়েছে বলেও জানান ড. মনসুর।
গত ১৪ বছরে ব্যাংকখাতে যেসব অগ্রগতি হয়নি তা গত এক বছরে হয়েছে বলেও জানান গভর্নর। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বন্দকি সম্পত্তির নথি দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। এক সম্পদ দিয়ে একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া যাবে না।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কিছু ব্যক্তি ও মহল ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, কিছু লোক টাকার বিনিময়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উসকানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে, গুজব ছড়াচ্ছে; এটি বেশিদিন চলবে না। বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই ব্যাংকের সব লেনদেন খুলে দেয়া হয়েছে, আমানতে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দেয়া হচ্ছে। একবারে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা যাচ্ছে।
আমানতের বিপরীতে ঋণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মুনাফাও উত্তোলন করা যাবে। যে রেজ্যুলেশনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত, তা রাতারাতি করা সম্ভব নয়। শরিয়াহ্ কাউন্সিলের পরামর্শ অনুযায়ী, বিগত দুই বছরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা দিতে পারা সম্ভব হয়নি।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রাহকের দুরঅবস্থা বিবেচনা করে ৪ শতাংশ সুদ দেয়া হচ্ছে। ৫টি ব্যাংকের লোকসানের পরও এই ৪ শতাংশ মুনাফা দেয়া হচ্ছে সরকারের অনুদানের মাধ্যমে, যেখানে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে বলে জানান গভর্নর।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ক্ষেত্রে শুধু জমা করা নগদ টাকা দেয়া হচ্ছে। সেখানে ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়া হয়েছে। ইসলামী আইন মুনাফার আকারে নয়, অনুদানের আকারে। যা সরকারের বাড়তি খরচ।
৫ ব্যাংকের এই অবস্থার জন্য দায়ভার সবারই আছে, শুধু সরকার কেনো সব দায় নিবেনেবে। সরকার বরং প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সহায়তা দিয়েছে বলেও জানান ড. মনসুর।
গত ১৪ বছরে ব্যাংকখাতে যেসব অগ্রগতি হয়নি তা গত এক বছরে হয়েছে বলেও জানান গভর্নর। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বন্দকি সম্পত্তির নথি দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। এক সম্পদ দিয়ে একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া যাবে না।

ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা চলছে: গভর্নর
জ্যেষ্ঠ-প্রতিবেদক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কিছু ব্যক্তি ও মহল ভুল তথ্য ছড়িয়ে গণ্ডগোলের পাঁয়তারা করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, কিছু লোক টাকার বিনিময়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উসকানিমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে, গুজব ছড়াচ্ছে; এটি বেশিদিন চলবে না। বছরের ১ জানুয়ারি থেকেই ব্যাংকের সব লেনদেন খুলে দেয়া হয়েছে, আমানতে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দেয়া হচ্ছে। একবারে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা যাচ্ছে।
আমানতের বিপরীতে ঋণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মুনাফাও উত্তোলন করা যাবে। যে রেজ্যুলেশনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত, তা রাতারাতি করা সম্ভব নয়। শরিয়াহ্ কাউন্সিলের পরামর্শ অনুযায়ী, বিগত দুই বছরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে মুনাফা দিতে পারা সম্ভব হয়নি।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রাহকের দুরঅবস্থা বিবেচনা করে ৪ শতাংশ সুদ দেয়া হচ্ছে। ৫টি ব্যাংকের লোকসানের পরও এই ৪ শতাংশ মুনাফা দেয়া হচ্ছে সরকারের অনুদানের মাধ্যমে, যেখানে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে বলে জানান গভর্নর।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ক্ষেত্রে শুধু জমা করা নগদ টাকা দেয়া হচ্ছে। সেখানে ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়া হয়েছে। ইসলামী আইন মুনাফার আকারে নয়, অনুদানের আকারে। যা সরকারের বাড়তি খরচ।
৫ ব্যাংকের এই অবস্থার জন্য দায়ভার সবারই আছে, শুধু সরকার কেনো সব দায় নিবেনেবে। সরকার বরং প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সহায়তা দিয়েছে বলেও জানান ড. মনসুর।
গত ১৪ বছরে ব্যাংকখাতে যেসব অগ্রগতি হয়নি তা গত এক বছরে হয়েছে বলেও জানান গভর্নর। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বন্দকি সম্পত্তির নথি দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকে। এক সম্পদ দিয়ে একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া যাবে না।




