দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ করবে ইনকিলাব মঞ্চ

দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ করবে ইনকিলাব মঞ্চ
ঢাবি প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের নাম ও ছবি প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে যেসব ঋণখেলাপিকে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের নাম, ঋণের পরিমাণ, কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি জনগণকে এসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।’
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আরও বলেন, ‘যেসব দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন, তাদের নাম ও নির্বাচনী আসনের তথ্যও প্রকাশ করা হবে।’
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের সামনে ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে- নিজেদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের সুযোগ। স্বাধীনতার প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ আর কোনো ছাড় দেবে না। যে জনগণ রক্ত দিতে শিখেছে এবং যুদ্ধের ময়দানে নামতে জানে, তাদের পেছনে ফিরে তাকানোর প্রশ্ন নেই।’
তিনি জানান, ইনকিলাব মানেই বিপ্লব, ইনকিলাব মানেই সংগ্রাম। এই সংগ্রাম শুধু ইনকিলাব মঞ্চের নয়- এটি বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রাম।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের নাম ও ছবি প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে যেসব ঋণখেলাপিকে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের নাম, ঋণের পরিমাণ, কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি জনগণকে এসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।’
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আরও বলেন, ‘যেসব দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন, তাদের নাম ও নির্বাচনী আসনের তথ্যও প্রকাশ করা হবে।’
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের সামনে ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে- নিজেদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের সুযোগ। স্বাধীনতার প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ আর কোনো ছাড় দেবে না। যে জনগণ রক্ত দিতে শিখেছে এবং যুদ্ধের ময়দানে নামতে জানে, তাদের পেছনে ফিরে তাকানোর প্রশ্ন নেই।’
তিনি জানান, ইনকিলাব মানেই বিপ্লব, ইনকিলাব মানেই সংগ্রাম। এই সংগ্রাম শুধু ইনকিলাব মঞ্চের নয়- এটি বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রাম।

দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ করবে ইনকিলাব মঞ্চ
ঢাবি প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপি প্রার্থীদের নাম ও ছবি প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে যেসব ঋণখেলাপিকে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের নাম, ঋণের পরিমাণ, কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি জনগণকে এসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।’
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আরও বলেন, ‘যেসব দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন, তাদের নাম ও নির্বাচনী আসনের তথ্যও প্রকাশ করা হবে।’
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের সামনে ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে- নিজেদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণের সুযোগ। স্বাধীনতার প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ আর কোনো ছাড় দেবে না। যে জনগণ রক্ত দিতে শিখেছে এবং যুদ্ধের ময়দানে নামতে জানে, তাদের পেছনে ফিরে তাকানোর প্রশ্ন নেই।’
তিনি জানান, ইনকিলাব মানেই বিপ্লব, ইনকিলাব মানেই সংগ্রাম। এই সংগ্রাম শুধু ইনকিলাব মঞ্চের নয়- এটি বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রাম।




