খালেদা জিয়া যে কারণে 'আপসহীন'
খালেদা জিয়া যে কারণে 'আপসহীন'


এছাড়া সারা দেশে সব ইউনিট বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আয়োজন করেছে দোয়া ও মোনাজাত।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় মানুষের বিশাল অংশগ্রহণ তার প্রতি জনগণের গভীর ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানান, গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে তিনি তার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম শিক্ষক এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার শেষ যাত্রায় লাখো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় সিক্ত হয়েছেন। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে তার মরদেহবাহী কফিন জাতীয় পতাকা শোভিত গাড়িতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নেয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চিরশায়িত হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন হয়।

মানিক মিয়া এভিনিউতে লাউড স্পিকারে বাজানো হচ্ছে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নানা বক্তব্য। তার স্মৃতিচারণে এমন উদ্যোগ নিয়েছে ভক্ত-অনুরাগীরা।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, তিন

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানরা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।

তারেক রহমানের সঙ্গে জয়শঙ্করের সাক্ষাৎ
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএনপির ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে। মানুষের দীর্ঘ কাতার কারওয়ান বাজার অতিক্রম করতেও দেখা গেছে।

এক বার্তায় ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক পালনের অংশ হিসেবে আজ (বুধবার) ব্রিটিশ

খালেদা জিয়ার জানাজা
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সংসদ ভবন ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। নির্ধারিত স্থানে জায়গা না পেয়ে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেন।

রাজধানীর কুড়িল, মহাখালী-বনানীর মাঝামাঝিতে থাকা প্রবেশপথ দিয়ে হেঁটে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। সময়মতো পৌঁছাতে হেঁটেই রওনা হন অনেকে।জ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এর আশপাশের সড়কগুতেও যান চলাচল সীমিত করা হয়েছে। সর্বসাধারণের জন্য পায়ে হাঁটার পথ উন্মুক্ত আছে।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন জয়শঙ্কর।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায়।

ফ্রিজার ভ্যানটি গুলশান-২, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ, এয়ারপোর্ট রোড, মহাখালী ফ্লাইওভার, জাহাঙ্গীর গেট, বিজয় সরণি, উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার কিছু আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ এ তথ্য জানান।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সরেজমিনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে দেখা যায়, জানাজার ৫ ঘণ্টা আগেই হাজার হাজার মানুষ।
